| ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে ৬১০ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

কাপ্তাইয়ে ৬১০ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ৬১০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ ও বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে কাপ্তাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি অফিস চত্বরে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম।

​কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “কৃষিই দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। আধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। সরকারের এ ধরনের সহায়তা কৃষকদের উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি বিতরণকৃত চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার জন্য কৃষকদের আহ্বান জানান।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীব জানান, কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ৪১০ জন কৃষককে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনপ্রতি ৫টি বৃক্ষের চারা, ৫টি বাঁশের খুঁটি এবং ৪০ কেজি জৈব সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০০ জন কৃষককে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, ৩০টি লেবুর চারা, ১৫ কেজি ডিএপি সার, ১৫ কেজি এমওপি সার এবং ৩০ কেজি জৈব সার প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট ৬১০ জন কৃষক এই সহায়তার আওতায় এসেছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি নুরুল হক বাচা, কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় কৃষকবৃন্দ।​এর আগে অতিথিরা ফিতা কেটে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করেন এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ফল ও কৃষিপণ্যের স্টল ঘুরে দেখেন।

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬০ জনের পাশে ৪১ বিজিবি

কাপ্তাইয়ে ৬১০ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের কবলে পড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়া ২৬০ জন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। ​সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও পাহাড় ধসের ফলে কাপ্তাই ইউনিয়নের লগ গেইট, কাপ্তাই নতুন বাজার, সাদেক মাষ্টার টিলা এবং বিএফআইডিসি পাড়া এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপাকে পড়েন। বর্তমানে তারা কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।​

ওয়াগ্গাছড়া জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস্-এর তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ৪১ বিজিবির ‘সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এসব অসহায় মানুষের মাঝে দুপুরে খাবারের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। খাবার বিতরণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ওয়াগ্গাছড়া জোনের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাষ্টার সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম।

এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিজিবি সবসময় দেশের সাধারণ মানুষের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে

আলীকদমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দিল উপজেলা বিএনপি

কাপ্তাইয়ে ৬১০ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্হ অসহায় ১ হাজারের বেশি পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় আলীকদম উপজেলা বিএনপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জাবেদ রেজা। ‎

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আলীকদম উপজেলাধীন চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন, আলীকদম সদর ইউপি, নয়াপাড়া ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ১ হাজারের বেশি পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় আলীকদম উপজেলা বিএনপির সার্বিক ব্যবস্হাপনায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

‎পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রীসহ জরুরি ত্রাণ বিতরণ করা হয়। অনেক পরিবার বন্যার কারণে ঘরবাড়ি, গৃহস্থালির সামগ্রী ও জীবিকার উপকরণ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানা যায়। এসব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন জেলা বিএনপির নেতারা। ‎

এ সময় মো. জাবেদ রেজা বলেন, “ভয়াবহ বন্যায় আলীকদমে সাধারণ মানুষ আজ চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই কঠিন সময়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। আলীকদম উপজেলা বিএনপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং এই দুর্যোগ পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা পর্যন্ত আমাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

‎তিনি আরও বলেন, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবীদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনরায় স্বাবলম্বী করে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানান তিনি। ‎

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন তুষার, আলীকদম উপজেলা বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক মাশুক আহমেদ, সাবেক সিঃ যুগ্ন আহব্বায়ক জুলফিকার আলী ভূট্রো, সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক মো. ইউনুচ মিয়া, সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক মো. মনচুর আলমসহ, যুবদল, ছাত্রদল এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ‎ ‎

ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের পাশে বান্দরবান বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ।

কাপ্তাইয়ে ৬১০ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন

উথোয়াইচিং মারমা: বান্দরবান:

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবানের হ্লাপাই মুখপাড়া এলাকার ৭৫টি দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বান্দরবান বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় হ্লাপাইমুখ পাড়া এলাকায় ৭৫ টি অসহায় পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি-এর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন বান্দরবান সেক্টরের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম রানা।

বন্যা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বান্দরবান বিজিবি সেক্টরের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান সেক্টর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম রানা।

তিনি আরো জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয় প্রদান, খাদ্য ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাহিনীটি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।

×