শিরোনাম:

আলীকদমে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

আলীকদমে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধ :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পি,এই,পি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত।

‎মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পি,এই,পি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত।

‎আলোচনা সভায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পি,এই,পি-৩ প্রকল্পের আলীকদম উপজেলা মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমা’র সঞ্চালনায় ও বান্দরবান জেলা থেকে জুনিয়র কর্মসূচী কর্মকর্তা (মিল) মোঃ ফরহাদ আজিম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার প্রতিনিধি হুমায়ন কবির।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ১নং আলীকদম সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাছির উদ্দীন ও ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন,উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ২৮৮নং আলীকদম মৌজার হেডম্যান অংহ্লাচিং মার্মা,মিডিয়া কর্মীসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।



‎এ সময় বক্তারা বলেন, আলীকদমে ব্যবসায়ী ও কৃষকদের মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভায় সবজি উৎপাদন, বাজার জাত করণ,কৃষকদের ন্যায মূল্য পাওয়া, উৎপাদিত কৃষি পণ্য সংরক্ষণের কোল্ট স্টোর নির্মাণের দাবি জানান,

‎বক্তারা আরও বলেন, বাজারের সিন্ডিকেট মুক্ত করা, প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিক সময়ে সার, বীজ, কৃটনাশক সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান কৃষি কর্মকর্তার নিকট। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সহজে ক্রেতাদের নিকট প্রচার মাধ্যম ডিজিটাল প্লাট ফরম তৈরি করা হবে বলে জানান বক্তারা।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নেতৃত্বে এম এ সালাম ফকিরকে চায় জনগণ

আলীকদমে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

ত্যাগ ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ, গ্রহণযোগ্যতায় শীর্ষে—জনআস্থার প্রতীক  আব্দুস সালাম ফকির, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নেতৃত্বে তাকেই চায় জনগণ।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এলাকার পাহাড়ি- বাঙালী নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি একসময় রাঙামাটির পার্বত্য অঞ্চল ছিল চাঁদাবাজি, অশান্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভরপুর। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে তৎকালীন এরশাদ সরকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে একটি স্থানীয় সরকার কাঠামো গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সময় রাঙামাটির ১০টি উপজেলা থেকে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিষদ গঠনের জন্য প্রার্থী খুঁজে পাওয়াই ছিল কঠিন। বাঙালি সদস্যের ১০টি পদের বিপরীতে মাত্র ২৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, যেখান থেকে ভোটের ভিত্তিতে ১০ জন নির্বাচিত হন। তাঁদের মধ্যে জনাব মোঃ আব্দুস সালাম ফকির বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

অন্যদিকে, উপজাতীয় সম্প্রদায় থেকে ২০টি পদের জন্য প্রায় ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাবু গৌতম দেওয়ান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এভাবে ১৯৮৯ সালে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট “স্থানীয় সরকার পরিষদ” গঠিত হয়। কিন্তু সে সময় নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও জীবনঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। নির্বাচনের সময় বিরোধীরা বহুস্থানে ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করলেও জনগণের অংশগ্রহণ থামানো যায়নি। পরিষদের সদস্যরা দীর্ঘ ৮ বছর নিজেদের ব্যক্তিগত ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বার্থ ত্যাগ করে রাঙামাটি জেলাধীন ১০টি উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করেন। তাঁদের এই ত্যাগ ও অবদানের ফলেই পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচিত এই স্থানীয় সরকার পরিষদ বিলুপ্ত করে “জেলা পরিষদ” গঠন করে, যেখানে প্রথমে মাত্র ৬ সদস্য এবং পরে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিষদ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে মনোনয়ন ভিত্তিক সদস্য নিয়োগের মাধ্যমে এ পরিষদ পরিচালিত হয়ে আসছে।

বর্তমানে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সাথে আবারও জেলা পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যেখানে একটি সদস্য পদের জন্য একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে অতীতের ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে এখনও খুব অল্পসংখ্যক জীবিত রয়েছেন—বাঙালি সদস্যদের মধ্যে মাত্র ২ জন এবং উপজাতীয় সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৮ জন, যাদের অনেকেই অসুস্থ ও অবহেলিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে জনাব মোঃ আব্দুস সালাম ফকির পুনরায় জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি একজন শিক্ষিত, সৎ, ভদ্র ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্ব। ১৯৯৭ সালে বিএনপিতে যোগদানের পর প্রায় দীর্ঘ ত্রিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

জনমত জরিপে দেখা যায়, পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা—তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

এইসব বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ফকির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, সবই সত্য এবং বলতে চাই  উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে উপজাতীয়দের নেওয়া হোক। তবে যদি সদস্য বৃদ্ধি করা হয় ২১ সদস্য হলে বিবেচনা করা। বাড়ালে তবে ১ জন বাঙালি নিতে হবে। সেটা আমাকে দাবি রাখি। আমি প্রায়  সভাপতি পদে ১০ বছর, সাংগঠনিক পদে ৮ বছর, সাধারণ সম্পাদক পদে ১০ বছর রাজনৈতিক জীবনে ছিলাম বলে জানান। সুতরাং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত আবেদন—জনাব মোঃ আব্দুস সালাম ফকিরের এই ন্যায্য দাবিটি সদয় বিবেচনায় গ্রহণ করে তাঁকে মনোনয়ন প্রদান করা হোক। এতে করে এলাকার জনগণ উপকৃত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করা যায়।

পাহাড় থেকে সমতল, অসহায় মানুষের পাশে মামুনী চাকমা

আলীকদমে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

আর্থিক অনটনের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে মামুনী’র মহৎ উদ্যোগ, তারপরও থেমে নেই তার কাজের গতি, সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে। পাহাড়ে ঝরে পড়া শিশু ও গরীব অসহায় মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদেরকে নিয়ে মানবিক কাজে নিয়োজিত মামুনী চাকমা।

বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া (মূলধারার শিক্ষা বা সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত) এবং আর্থ-সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নিজ অর্থায়নে নিরলস ভাবে কাজ করেই চলেছেন। ভবিষ্যতে এমন মহৎ কাজ করতে চান মামুনী চাকমা।
অসহায় মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের পাশে থেকে এগিয়ে নিতে চান আলোকিত জীবনের পথ।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা (১১ বছর) সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়িদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান এবং শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। তাছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া মানবিক কাজের একটি বড় অংশ।

নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থান পাহাড়ের নারীদের সেলাই, বুনন, কম্পিউটার, ফলজ বনজ ঔষধি গাছ, ক্ষুদ্র ঋণ এবং হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করার কাজ থেমে গেছে আর্থিক সংকটের কারণে, এই ধরনের মানবিক কাজগুলো রাঙ্গামাটি শহরে ১০টি উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে চাই এবং দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নিতে পাহাড়ে অসহায় দরিদ্র মেধাবী ছাত্র ছাত্রী ও বেকার যুবক যুবতীদের নিয়ে সেলাই, কম্পিউটার,সেবা মূলক কাজ, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ ইত্যাদি উন্নয়নের জন্য সাহায্য সহায়তা পেতে পার্বত্য মন্ত্রী’র কাছে মামুনী চাকমার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

আলীকদমে মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ ও সমাধান করণীয় বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

 

​কাপ্তাই প্রতিনিধি :

কাপ্তাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ও রাঙ্গামাটির কাপ্তাই সীমান্ত সংলগ্ন চন্দ্রঘোনা রেশম বাগান এলাকায় অবস্থিত একটি বৌদ্ধ বিহারে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ মার্চ দিবাগত রাতে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানাধীন ২নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ‘জঙ্গল দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর রেশম বাগান থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে’ এই চুরির ঘটনা ঘটে।

চোরচক্র বিহারের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন আকারের মোট ১২টি মূল্যবান পিতলের বুদ্ধমূর্তি নিয়ে গেছে, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

​বিহার পরিচালনা কমিটির দেওয়া তথ্যমতে, গত ১৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিহারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যবসায়ী শুইহ্লাপ্রু মারমা বিহারের দরজায় তালা দিয়ে বাড়িতে যান। পরদিন ১৮ মার্চ সকাল ৭টার দিকে তিনি বিহারে এসে দেখেন সদর দরজার তালা ভাঙা। ভেতরে প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান ৪, ৫ ও ৬ ইঞ্চি উচ্চতার ১২টি পিতলের মূর্তি উধাও। তবে বড় আকারের পিতল ও সিমেন্টের মূর্তিগুলো অক্ষত ছিল।

এ ঘটনায় শুইহ্লাপ্রু মারমা (৫৯) বাদী হয়ে গত ১৮ মার্চ রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে একই এলাকার কেসুনো মার্মা (৫০) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, বিহারের সিসিটিভি ফুটেজে দুই ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে কৌশলে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত কেসুনো মারমা কোনো নির্দিষ্ট পেশা নেই এবং দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিহার পরিচালনা কমিটির সাথে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন। চুরির ঘটনার কয়েক দিন আগে থেকেই তাকে ও তার সহযোগীদের বিহারের আশেপাশে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

​পবিত্র উপাসনালয়ে এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিহারে আসা পুণ্যার্থী ও এলাকাবাসী  জানান,”আমরা দ্রুত চুরি হওয়া পবিত্র বুদ্ধমূর্তিগুলো উদ্ধার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”​চোর শনাক্ত ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার কারণে অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদী পক্ষ।

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও বাদীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত কেসুনো মারমা ও তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

×