| ৪ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

ডেক্স রিপোর্ট, সিএইচটি বার্তা :

রাঙামাটি জেলাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কুশল বিনিময় ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের এনেক্স ভবনে কুশল বিনিময় ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্কলনিক মোঃ আতিউর রহমানের সঞ্চালনায় অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবু খালেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইউনুস আলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয় থেকে অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ প্রায় ৩৯ জন অংশগ্রহণ করেন।

পুনর্মিলনীতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁদের চাকরি জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিকথা তুলে ধরেন। কুশল বিনিময় করেন।

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বাঘাইছড়িতে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ নিতে ইউএনও ও ওসি

রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম ব্লক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ৩ জুন (বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে) এ দুর্ঘটনা ঘটে। ‎ ‎

জানা যায়, এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহ জাহানের বসতবাড়িতে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ হলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ঘরের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে যায় এবং পরিবারটি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ‎অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার। ‎পরিদর্শনকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং অগ্নিকাণ্ডে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হন।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। ‎

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে আরও ত্রাণ ও সহায়তা প্রদান করা হবে।” ‎ ‎

স্থানীয়দের মতে, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা দুর্গতদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐক্যের প্রতীক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপিকে তাঁর পূর্ব দায়িত্বে পুনর্বহালের দাবীতে ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্যবাসীদের মানববন্ধন

রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা অফিস :

আজ বুধবার ৩ জুন বিকাল ৪:৩০ টায় ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্যবাসীদের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। মানববন্ধনে ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্যবাসীরা বিভিন্ন এলাকায় থেকে এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক গত ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় পার্বত্য মন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের পেছনে নেপথ্য রয়েছে। মন্ত্রীকে অসুস্থ দেখিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগের বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী নিজেই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। যদিও তিনি অসুস্থতার কথা পদত্যাগ পত্রে উল্লেখ করলেও স্বাভাবিকভাবে তিনি নিজেই সুস্থ রয়েছেন বলে বিভিন্ন সুত্রে পাওয়া গেছে। তাকে অন্যের চাপে কিংবা কোন ব্যক্তির অজুহাতে ও প্ররোচনায় পদত্যাগপত্র জমাদানে জোরালো বাধ্য করা হয়েছে। তানাহলে এত অল্প সময়ে মন্ত্রীত্ব ছাড়ার প্রশ্নই আসেনা। অবিলম্বে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী হিসেবে পুনঃবহালের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবে সামনে অংশগ্রহনকারী ঢাকায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙ্গালী পার্বত্যবাসীরা। মানববন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের সর্বস্তরের জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে এই মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশে অংশ নেন।

এদিকে মানববন্ধনে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠ করেন ঢাকা জর্জ কোর্টের আইনজীবি কুশল চাকমা। এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো-

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার প্রতিবাদে এবং তাঁকে মন্ত্রীসভায় পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও সংহতি সামবেশে আমাদের বক্তব্য।

ঢাকা, ৩জুন ২০২৬;

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ অথবা তাকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনার প্রতিবাদে এবং তাঁকে পুনরায় মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আজ বুধবার (৩ জুন ২০২৬) বিকেল ৪:৩০ ঘটিকায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমাদের মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশ।

ঢাকায় অবস্থানরত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সামাজিক, ছাত্র, যুব, নারী ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের জনগণ এ কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছি।

আমরা অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপি এর প্রতি আমাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সর্মথন ব্যক্ত করছি।

আমরা মনে করি, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের আশা-আকাঙ্কা, অধিকার, উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সামগ্রিক কল্যাণের প্রশ্নে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান গুরত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তাঁর মন্ত্রীত্বের অবসান বা পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার ঘটনায় পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা, ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের র্স্বাথ সংরক্ষণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান ছাড়া কোন বিকল্প নেই। এ কারণে এড. দীপেন দেওয়ান-কে পুনরায় মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

সমাবেশের মাধ্যমে আমরা আবারও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার নেতৃত্বদানকারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কিট আমাদের আবেদন আপনি আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐক্যের প্রতীক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপিকে তাঁর পূর্ব দায়িত্বে পুনর্বহালের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

এই মানববন্ধন ও সংহতি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব পেশাজীবী, নারী-পুরুষ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আয়োজকদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

 

আয়োজনে-

ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্যবাসী।

‎বাঘাইছড়ির মুসলিম ব্লকের বসতঘরে আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

রাঙামাটিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম ব্লক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

‎ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মোঃ শাহ জাহানের বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে।

‎আগুন লাগার খবর পেয়ে আশপাশের বাসিন্দারা এবং ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজে অংশ নেন। দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা।

‎স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হলেও এর আগেই ঘরের মূল্যবান আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

‎ক্ষতিগ্রস্ত গৃহকর্তা মোঃ শাহ জাহান বলেন, “আমি নতুন একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনে বাসায় নিয়ে এসেছিলাম। চুলার সঙ্গে সংযোগ দেওয়ার সময় হঠাৎ সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হতে শুরু করে এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে একটি কাপড় দিয়ে চেপে ধরেছিলাম, কিন্তু ততক্ষণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে জীবন বাঁচাতে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সদস্যদের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও এর আগেই আমার ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়। আমি গরু বিক্রি করে কিছু টাকা ঘরে রেখেছিলাম। এছাড়া পরিবারের স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছিল। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।”

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা হতে পারে।

‎এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

‎উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই উপজেলায় একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০১৮ সালে ফায়ার স্টেশন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলেও সাত বছরেও কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয় জনসাধারণ। এ ঘটনায় দ্রুত ফায়ার স্টেশন নির্মাণের দাবি নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে।

×