শিরোনাম:

আলীকদমে সেনাবাহিনীর টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে ১৪টি পাড়ার শিশুরা পেল টিকা

আলীকদমে সেনাবাহিনীর টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে ১৪টি পাড়ার শিশুরা পেল টিকা

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আলীকদম সেনাজোন (৩১ বীর) এর উদ্যোগে টিকাদান ও চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ‎ ‎

বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের তত্ত্বাবধানে গত ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত কুরুকপাতা ও পোয়ামুহুরী এলাকায় এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে মোট ১৪টি প্রত্যন্ত পাড়ায় টিকাদান ও চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়। ‎উপজেলায় মোট ৮ হাজার ২৭৮ জনকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ইতিমধ্যে ৬ হাজার ৫১৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে কুরুকপাতা ইউনিয়নে ৭৮৫ জন শিশুকে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকা প্রদান করা হয়।

‎এছাড়া কুরুকপাতা মৈত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় নারী, পুরুষ ও প্রবীণদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।

‎সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দুর্গম অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ চালু রাখা হবে।

‎স্থানীয়রা জানান, দুর্গম এলাকায় এ ধরনের উদ্যোগ স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত এই কার্যক্রম পার্বত্য অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বান্দরবানে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।

আলীকদমে সেনাবাহিনীর টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে ১৪টি পাড়ার শিশুরা পেল টিকা

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে করে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৪ মে) বেলা ১১ টায় উপজেলার বড়ুয়া পাড়া হতে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাচিং প্রু জেরী।

উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নে পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা কমবে, অন্যদিকে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, যা কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে।
তিনি জানান, সরকারের এ উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মোজাম্মেল হক অফিসার ইনচার্জ নাইক্ষ্যংছড়ি থানা,জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচ প্রু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে,এই খাল ২.৫০ কিলোমিটার খনন করা হবে যার ব্যয় হবে ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা। কাজ করছে ২৬৯ জন শ্রমিক। এর আওতায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া, বিছামারা, বাগানঘোনা, মন্ডইল্লাঘোনা,চাক হেডম্যান পাড়া,মধ্যম চাক পাড়াসহ আাড়াই কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালগুলো পুনঃখননের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে, কমবে জলাবদ্ধতা। পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ হওয়ায় কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। এতে ফসলের উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে খাল খনন প্রকল্পটি চরভদ্রাসনের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিলাইছড়িতে দুর্যোগ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আলীকদমে সেনাবাহিনীর টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে ১৪টি পাড়ার শিশুরা পেল টিকা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়িতে দুর্যোগ মোকাবেলায় জরুরি দুর্যোগ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ১১ টায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসনাত জাহান খান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর আহাম্মদ, উপজেলা বিএনপি যুবদলের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম রনি, উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডাঃ কনিষ্ক চাকমা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম আজম, থানা অফিসার ইনচার্জ এর প্রতিনিধি এফএম তানভীর আলম (এসআই) বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শান্তি বরন তালুকদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, পিআইও অফিসের সুমন গাজী, আজগর প্রমূখ।

সভায় টানা বৃষ্টিপাত কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে বা কোথাও পাহাড় ধ্বস কিংবা বন্যায় কবলিত নতুবা  কোনক্রমে দুর্যোগে ক্ষতি গ্রস্থ হলে পাশে থেকে সেবা দিবে এই টীমগুলো। প্রয়োজনে উপজেলা মিলনায়তন সহ  ইউনিয়ন ভিত্তিক আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হবে। সঙ্গে মেডিকেল টীম থাকবে। এছাড়াও বিলাইছড়ি টু রাঙ্গামাটি এবং বিলাইছড়ি টু কাপ্তাই নৌপথে লঞ্চ ও বোট মালিকদের যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট বা লাইফ সাপোর্ট বা জীবন রক্ষার সরঞ্জাম রাখাতে বলা হয়।

রাজস্থলীতে তে কাপ্তাই তথ্য অফিসের কর্তৃক ফ্যামেলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আলীকদমে সেনাবাহিনীর টিকাদান ও চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে ১৪টি পাড়ার শিশুরা পেল টিকা

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার তথ্য অফিসের উদ্যোগে রাজস্থলীতে ফ্যামেলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলার রাজস্থলী বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত ফ্যামেলি সমাবেশে।এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজস্থলী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার।

কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ফ্যামেলি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আজগর আলী খান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাজেরুল ইসলাম, থানছি কলেজের প্রভাষক জীতন ত্রিপুরা, বাজার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলি প্রমুখ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজস্থলী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,বর্তমান  সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফ, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ,দ্রব্যমূল্য নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ, স্বাস্থ্য সেবা, নারীর জন্য গাড়ি ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করছে । সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি সারা দেশে বৃক্ষরোপণ, বৈষম্যহীন সমাজ ও দেশ গঠন করতে  মায়েদের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি এ সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজে অগ্রগতি ভূমিকা অপরিসীম নারীদেরকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান।

এ সময় বাজার  এলাকার দুই শতাধিক নারী, গণমাধ্যমকর্মী ও অন্যান্য স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×