শিরোনাম:

কাপ্তাই হ্রদের ২৭ হাজার জেলে পাচ্ছেন ‘কৃষক কার্ড’ ; মিলবে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি সুবিধা

কাপ্তাই হ্রদের ২৭ হাজার জেলে পাচ্ছেন ‘কৃষক কার্ড’ ; মিলবে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি সুবিধা

​নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

​রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করা নিবন্ধিত জেলেরা এখন থেকে কৃষকদের মতো বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। হ্রদ এলাকার প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলেকে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর ফলে জেলেরা এখন থেকে সহজে ব্যাংক ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

​সম্প্রতি কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এই ঘোষণা দেন।

​গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সমূহ:

​কার্ডের সুবিধা: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জেলেরা স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ এবং সরকারের দেওয়া বিভিন্ন কৃষি ও মৎস্য বিষয়ক ভর্তুকি সরাসরি পাবেন।

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ এলাকায় নিবন্ধিত ২৭ হাজার জেলে সবাই পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসবেন। মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রার মানোউন্নয়ন এবং মাছ ধরার নিষিদ্ধকালীন সময়ে তাদের আর্থিক সক্ষমতা বজায় রাখা।

​অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জেলেরা আমাদের অর্থনীতির অন্যতম কারিগর। কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় তারা দীর্ঘ সময় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন। তাদের এই ত্যাগ ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন করতেই সরকার তাদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে তাদের ঋণের জন্য চড়া সুদে মহাজনদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না।”

​উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী হ্রদের পানিতে পোনা অবমুক্ত করেন এবং উপস্থিত মৎস্যজীবীদের হাতে ভিজিএফের চাল তুলে দেন। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনায় যেমন গতি আসবে, তেমনি প্রান্তিক জেলেদের অর্থনৈতিক সংকটও অনেকাংশে লাঘব হবে।

বিলাইছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে উত্তর পার্শ্বে ওয়াশ ব্লক নিমার্ণের দাবিতে প্রেস ব্রিফিং এলাকাবাসীদের

কাপ্তাই হ্রদের ২৭ হাজার জেলে পাচ্ছেন ‘কৃষক কার্ড’ ; মিলবে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি সুবিধা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ পার্শ্বে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ না করে উত্তর পার্শ্বে করার দাবিতে প্রেস ব্রিফিং করেছে স্থানীয় জনগণ ও খেলোয়াড় বৃন্দ। বুধবার (৬ মে) সকাল ১১ টা দীঘলছড়ি যুব সংঘ ক্লাবে এই প্রেস ব্রিফিং করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে জানান, সচেতন জনগণ, এলাকাবাসী এবং ক্রীড়াবিদ আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন। বিলাইছড়ি উপজেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দক্ষিণ পার্শ্বে একটি ওয়াশ ব্লক নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করা করেছে। আমরা এই সিদ্ধান্তের প্রতি গভীর উদ্বেগ ও আপত্তি জানাচ্ছি।

প্রথমত: পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্টেডিয়ামের উত্তর পার্শ্বে নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সে স্থান পরিবর্তন করে দক্ষিণ পার্শ্বে নির্মান করা হচ্ছে । যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

দ্বিতীয়ত: প্রস্তাবিত স্থানটি ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে করলে দূর্গন্ধ, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চলাচলের অসুবিধা হবে।

তৃতীয়ত: সেখানে ওয়াশব্লক কারনে গোলবারের লাইনের বরাবর হওয়ায় মাঠ ছোট হয় এবং খেলোয়াড়দের রান করতে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটবে।

এছাড়াও তারা জানান, সম্প্রতি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হতে প্রকৌশলী এসে উত্তরপার্শ্বে নির্মাণের নকঁশা করে। এবং নির্মাণের কাজ শুরু করলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা না মেনে মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বে নির্মাণ শুরু করে দিয়েছে। যা খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার ঝুঁকি যেমনি বাড়বে তেমনি কর্ণারের বল করার মতো জায়গায় থাকে না। বলতে গেলে দক্ষিণ দিক থেকে তাকালে মাঠের ভিতরে বলা যায়। তাছাড়া পয়ঃনিস্কাশন করলে মাঠে দুর্গন্ধ ছড়াবে। যার ফলে পুরো গ্যালারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এজন্য বিষয়টি দ্রুত  যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

রামগড়ে জৈব বালাই নাশক ব্যবহার বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই হ্রদের ২৭ হাজার জেলে পাচ্ছেন ‘কৃষক কার্ড’ ; মিলবে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি সুবিধা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় মাঠ পর্যায়ে জৈব বালাই নাশক ব্যবহার সংক্রান্ত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজুবাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ) এর অর্থায়নে এবং পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, রামগড়ের উদ্যোগে গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী উদ্যানতত্ত্ব কর্মকর্তা এবং বৈজ্ঞানিক সহকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনিরুজ্জামান। তিনি জৈব বালাই নাশকের গুরুত্ব, প্রস্তুত প্রণালী এবং মাঠ পর্যায়ে এর কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বিশেষ প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন পাহাড়ীঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) কৃষিবিদ এমদাদুল হক। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুমন মিয়া আধুনিক কৃষিতে জৈব পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা ও এর সুফল তুলে ধরেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রামগড় পাহাড়ীঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ রাইসুল ইসলাম রাসেল ও মোঃ ফুয়াদ মিয়া।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জৈব বালাই নাশকের সঠিক ব্যবহার, রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে জৈব প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে এসব প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন

কাপ্তাই হ্রদের ২৭ হাজার জেলে পাচ্ছেন ‘কৃষক কার্ড’ ; মিলবে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি সুবিধা

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছ‌ড়ির গুইমারা রি‌জিও‌নের আওতা‌ধিন ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির মাটিরাঙ্গা জোনের নিয়মিত আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেডিকেল ক্যাম্পেইন ক‌রে‌ছে সেনাবাহিনী।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে উপ‌জেলার তাইন্দংয়ের দুর্গম সুধীল রঞ্জন হেডম‌্যানপাড়া সরকারী প্রাথ‌মিক বিদ‌্যালয় মা‌ঠে আয়োজিত বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক পাহাড়ি ও বাঙালিকে চিকিৎসা সেবা প্রদান ক‌রা হয়।

এতে গুইমারা রিজিয়নের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মেজর ইকরামুল আমিন এফসিপিএস, মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন সাদিয়া আফরিন ও মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন নুরে রেজওয়ান তৌফিক রিজভী সি‌কিৎসা সেবাও বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করেন। একই সা‌থে স্কুল পড়ুয়া শিশু‌দের মা‌ঝে শিক্ষা সামগ্রী ও খেলনা বিতরণ করা হয়।

ক‌্যাম্পেইন চলাকা‌লিন প‌রিদর্শন ক‌রে উপকারভোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং তাদের খোঁজখবর নেন মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান।

এসময় বলেন, এই অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক বিদ্যমান, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।”  আর্তমানবতার সেবায় পাহা‌ড়ের দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর এমন কার্যক্রম আগামী‌তেও অব‌্যাহত থাক‌বে ব‌লে জানান তি‌নি।

এসময় মাটিরাঙ্গা জোনের (ভারপ্রাপ্ত) জেডএসও  মেজর সামিউল হক, ক্যাম্প কমান্ডার মেজর হাসনাইন জালালী, ক্যাপ্টেন ইয়ামীম ইসলাম সহ উর্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

×