| ২২ মে ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত খিয়াং পরিবার তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

রাজস্থলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত খিয়াং পরিবার তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী প্রতিনিধি :

খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন, রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি খিয়াং পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে ঘরের সবকিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে পরিবারটি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের শিলছড়ি খিয়াং পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কর্তা অংথইউ খিয়াং জানান, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হঠাৎ রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের লেলিহান শিখায় বসতঘর, জুমের ধান, হলুদ, আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নগদ টাকা-পয়সাসহ সবকিছু পুড়ে যায়। প্রাণ বাঁচাতে পরিবারের সদস্যরা শুধু গায়ের কাপড় নিয়ে ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজিব খিয়াং জানান, অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটির প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারটি খুবই অসহায় অবস্থায় রয়েছে। তাদের জুমের ধান, হলুদ ও ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে সহযোগিতার চেষ্টা চলছে।”

স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার দরিদ্র এ পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছিল। আগুনে তাদের জীবনের সব সঞ্চয় মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে। এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এদিকে রাজস্থলী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ প্রদীপ ত্রিপুরা জানান, “ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এবং সেখানে যানবাহন চলাচলের উপযোগী সড়ক না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা হবে। পাশাপাশি এলাকাবাসীও তাদের পুনরায় ঘর নির্মাণে সহযোগিতার উদ্যোগ

বান্দরবানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ -২০২৬ উদযাপন।

রাজস্থলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত খিয়াং পরিবার তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মো. আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

অগ্নিযোদ্ধাদের একটাই পণ, নিরাপদ রাখবো সম্পদ ও জীবন” এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬” আয়োজিত হয়ে গেলো  পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলায়।

পোগ্রাম এর শুভসূচনা করেন মো আবু তালেব  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মারুফা সুলতানা খান হীরামনি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মান্না দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সহকারী পরিচালক মো:আবদুল মান্নান আনসারি, ইকবাল হোসেন,(সিনিয়র স্টেশন অফিসার) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন মোসা রুমানা আক্তার, আরবান কমিউনিটি ভলান্টিয়ার (এফএসসিডি), ইয়ুথ চীফ। সকল ফায়ার ফাইটার কর্মীবৃন্দ এবং আরবান কমিউনিটি ফায়ার ভলান্টিয়ারদের( স্বেচ্ছাসেবী, শিক্ষার্থী), এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ততায় আনন্দঘন পরিবেশে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং অগ্নিনির্বাপণ সকল সরঞ্জামাদী প্রদর্শনীর মাধ্যমে সম্পূর্ণ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের আন্তরিক আলোচনায় এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে ফায়ার ফাইটার এবং সকল স্বেচ্ছাসেবীদের বিগত সময়ের গতি, সেবা, ত্যাগের বিনিময় এবং ফুটে উঠেছে এবং বিগত সময়গুলোতে সকলের আত্মত্যাগকে আন্তরিক শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করা হয়। সকল অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন সহকারী পরিচালক মো আবদুল মান্নান আনসারি।

সকল আত্মত্যাগী দেশপ্রেমিক এবং যারা অগ্নি-বন্যা-ভূমিকম্পসহ সকল দুর্যোগে সবার আগে থাকে তাদের সম্মানকে আরও একবার স্মরন করিয়ে দিলো। ফায়ার সার্ভিস একটি লাইফ সেভিং ফোর্স হিসেবে বিগত সময়ে ছিলো,আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে এই পন করেই অগ্নিযোদ্ধারা আবারো নতুন প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিটি জীবন মূল্যবান। তাই ফায়ার  সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ সফল হোক প্রতিটি বিভাগে, জেলায়, উপজেলায় এবং সকল স্থানে। সকলে একটু সচেতন হউন নিরাপদে থাকুন এইটাই সকলের প্রত্যাশা।

বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়িতে মৎস্যজীবিদের মাঝে চাউল বিতরণ 

রাজস্থলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত খিয়াং পরিবার তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ইউনিয়ন ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে জেলে/ মৎস্যজীবিদের ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে গোডাউন প্রাঙ্গণ হতে এইসব চাউল বিতরণ করা হয়। কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে ৩৬০ জন ও বিলাইছড়ি ইউনিয়নে ৫০০ জন, মোট ৮৬০ জনকে (মে-জুন) ২ মাসের (২০+২০)= ৪০ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, রামাচরণ মার্মা রাসেল এবং ট্যাগ অফিসার রুবেল বড়ুয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুপায়ন চাকমা, শান্তি বরন তালুকদার, মহিলা মেম্বার বলাকা রানী চাকমা, ওয়ার্ড মেম্বার দয়ারঞ্জন চাকমা, ভুবন জয় চাকমা, ভাগ্য লাল চাকমা, জ্ঞানরঞ্জন চাকমা, মো. বরিউল, বাবুলাল তঞ্চঙ্গ্যা, জ্যোতিময় চাকমা,নন্দ লাল চাকমা (মেরেবা), মো. শাহাজাহান।

চট্টগ্রামে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সরঞ্জাম সহ ২৫১ সিমকার্ড জব্দ

রাজস্থলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত খিয়াং পরিবার তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করেছে র্যাব-৭। এ সময় বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ২৫১ টি সিমকার্ড, ৮ টি সিমবক্সসহ নানা ধরনের প্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

্যাব-৭ চট্টগ্রাম বুধবার (২০ মে)২৬খ্রিঃ পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, হালিশহর আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বিটিআরসি ও এনটিএমসির কারিগরি সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে হালিশহর আবাসিক এলাকার ২৪ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ভাড়া বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে সরঞ্জামগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে সাতটি ২৫৬ পোর্টের সিমবক্স, একটি ৫১২ পোর্টের সিমবক্স, তিনটি রাউটার, তিনটি পাওয়ার অ্যাডাপটার, দুটি মাইক্রোনেট সুইচ, একটি টিপি-লিংক সুইচ, একটি ডিজিটাল হোম ইউপিএস, একটি ব্যাটারি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি। এ ছাড়া গ্রামীণফোনের ২০টি ও টেলিটকের ২৩১টিসহ মোট ২৫১টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে।

্যাব জানায়, অভিযুক্ত জিয়াবুল হক দীর্ঘদিন ধরে সফটওয়্যারভিত্তিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কল রাউটিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছিল।

্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

×