| ৩০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

থানচিতে সাঙ্গু নদীর তীরে তিন্দুর অস্থায়ী বাজার

থানচিতে সাঙ্গু নদীর তীরে তিন্দুর অস্থায়ী বাজার

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,
থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের সাঙ্গু নদীর তীরে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে গড়ে ওঠে একটি অস্থায়ী বাজার। আশপাশের কয়েকটি দুর্গম পাহাড়ি গ্রামের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচার একমাত্র ভরসা এই বাজার। তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছরই বাজারটি ভেঙে ফেলতে হয়। এতে কয়েক মাসের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, শুষ্ক মৌসুমে নদীর বালুচরে বাঁশ, কাঠ ও টিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাজারটি গড়ে তোলা হয়। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করা হয়। তবে বর্ষায় সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে গেলে প্লাবনের ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা প্রতিবছরই নিরাপদ স্থানে দোকানপাট সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে সাঙ্গু নদীর তীরে অস্থায়ী বাজার গড়ে ওঠে। বর্ষা মৌসুম শুরু হলে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে বাজারটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তখন তিন্দু গ্রুপিংপাড়ার পুরোনো বাজারেই আবার বেচাকেনা জমে ওঠে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সাঙ্গু নদীতীরের অস্থায়ী বাজার ভেঙে পাহাড়ঘেঁষা তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে নতুন করে দোকানপাট গড়ে উঠেছে। ঝুঁকিপূর্ণ উঁচু ঢালেই অনেক ব্যবসায়ী দোকান, ঘরবাড়ি ও রিসোর্ট নির্মাণ করে জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর অস্থায়ী বাজার নির্মাণ এবং বর্ষা এলেই তা খুলে সরিয়ে নিতে অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হয়। বর্ষাকালে ব্যবসা ব্যাহত হওয়ায় আয়ও কমে যায়। একটি স্থায়ী ও নিরাপদ বাজার নির্মাণ করে সাপ্তাহিক হাটবাজার বসাতে পারলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উভয়েই উপকৃত হবে।

স্থানীয় বাসিন্দার উথোয়াই ওয়াং মারমা ও নাংথাং খুমীসহ অনেকেই জানান, তিন্দু বাজারের সাপ্তাহিক হাটবাজার বসাতে পারলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচা সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সহজে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারবেন এবং এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

অন্যদিকে তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্যচন্দ্র ত্রিপুরা জানান, বর্ষা মৌসুমে এলেই অস্থায়ী বাজারটি গুটিয়ে গ্রুপিংপাড়ার পুরোনো বাজারে বেচাকেনা হয়। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে নিয়মিত সাপ্তাহিক হাটবাজার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, অস্থায়ী বাজারের বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে জেনেছেন। বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

থানচিতে সাঙ্গু নদীর তীরে তিন্দুর অস্থায়ী বাজার

 

বিশেষ প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

বাংলাদেশ ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR) প্রচারে পার্বত্য জেলা সমূহের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ধর্মীয় নেতাদের সাথে ১ দিনব্যাপী এই পরামর্শমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৮.৩০ ঘটিকা থেকে “পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টার” (পিসিটিসি) এর উদ্যোগে এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহযোগীতায় শহরের রাঙ্গাশ্রী কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক, উপ-পরিচালক মিডিয়া প্রডাকশন ঢাকা এবং উপ-পরিচালক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা দিনব্যাপী এই পরামর্শ মুলক কর্মশালাতে উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দবান পার্বত্য জেলার মোট ৩১ জন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ধর্মীয় গুরু/নেতা এই পরামর্শ মুলক কর্মশালাতে অংশ গ্রহন করেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিসিটিসি) এর ম্যানাজার মোহাম্মদ আজিম।

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও’র যোগদান

থানচিতে সাঙ্গু নদীর তীরে তিন্দুর অস্থায়ী বাজার

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও’র যোগদান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১ টায় মোঃ জাকির হোসেন (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ) ঢাকা হতে স্থায়ীভাবে বদলী হয়ে বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের নিমিত্তে বিলাইছড়ি উপজেলায় যোগদান করেন।

এসময় নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিলাইছড়ি উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণ স্বগত জানান।

রামগড়ে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

থানচিতে সাঙ্গু নদীর তীরে তিন্দুর অস্থায়ী বাজার

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে কফি চাষে সফলতা অর্জন করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা কফি গাছে ফলন আসায় গবেষকরা মনে করছেন, পাহাড়ি এ অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এতে স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কফি চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

একসময় কফিকে শুধুই বিদেশি পানীয় হিসেবে ভাবা হলেও বর্তমানে দেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে কফি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তারই অংশ হিসেবে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষামূলকভাবে কফি চাষের গবেষণা চালিয়ে আসছে।

গবেষণা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছের মাঝখানে সারি সারি কফি গাছ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার এসব গাছে তেলতেলে সবুজ পাতা এবং ডালজুড়ে গুচ্ছ গুচ্ছ সবুজ কফি ফল দেখা গেছে। প্রথম দেখায় অনেকেই এগুলোকে বুনো ফল মনে করলেও প্রকৃতপক্ষে সেগুলো কফির ফল।

গবেষকদের মতে, রামগড়ের পাহাড়ি মাটি, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ফলে পরীক্ষামূলক চাষে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “আমরা কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অংগ) আওতায় পরীক্ষামূলক বাগানের মাটিতে কফি চাষ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছি,পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকরা চাইলে নিশ্চিন্তে কফি চাষ করতে পারবেন।”তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কৃষকদের মাঝে কফি চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।।

×