| ৩০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

বিশেষ প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

বাংলাদেশ ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR) প্রচারে পার্বত্য জেলা সমূহের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ধর্মীয় নেতাদের সাথে ১ দিনব্যাপী এই পরামর্শমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৮.৩০ ঘটিকা থেকে “পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টার” (পিসিটিসি) এর উদ্যোগে এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহযোগীতায় শহরের রাঙ্গাশ্রী কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক, উপ-পরিচালক মিডিয়া প্রডাকশন ঢাকা এবং উপ-পরিচালক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা দিনব্যাপী এই পরামর্শ মুলক কর্মশালাতে উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দবান পার্বত্য জেলার মোট ৩১ জন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ধর্মীয় গুরু/নেতা এই পরামর্শ মুলক কর্মশালাতে অংশ গ্রহন করেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিসিটিসি) এর ম্যানাজার মোহাম্মদ আজিম।

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও’র যোগদান

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও’র যোগদান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১ টায় মোঃ জাকির হোসেন (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ) ঢাকা হতে স্থায়ীভাবে বদলী হয়ে বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের নিমিত্তে বিলাইছড়ি উপজেলায় যোগদান করেন।

এসময় নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিলাইছড়ি উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণ স্বগত জানান।

রামগড়ে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে কফি চাষে সফলতা অর্জন করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা কফি গাছে ফলন আসায় গবেষকরা মনে করছেন, পাহাড়ি এ অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এতে স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কফি চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

একসময় কফিকে শুধুই বিদেশি পানীয় হিসেবে ভাবা হলেও বর্তমানে দেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে কফি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তারই অংশ হিসেবে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষামূলকভাবে কফি চাষের গবেষণা চালিয়ে আসছে।

গবেষণা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছের মাঝখানে সারি সারি কফি গাছ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার এসব গাছে তেলতেলে সবুজ পাতা এবং ডালজুড়ে গুচ্ছ গুচ্ছ সবুজ কফি ফল দেখা গেছে। প্রথম দেখায় অনেকেই এগুলোকে বুনো ফল মনে করলেও প্রকৃতপক্ষে সেগুলো কফির ফল।

গবেষকদের মতে, রামগড়ের পাহাড়ি মাটি, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ফলে পরীক্ষামূলক চাষে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “আমরা কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অংগ) আওতায় পরীক্ষামূলক বাগানের মাটিতে কফি চাষ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছি,পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকরা চাইলে নিশ্চিন্তে কফি চাষ করতে পারবেন।”তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কৃষকদের মাঝে কফি চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।।

রাজস্থলী সাবজোনে সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ

রাঙামাটিতে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিনিধি:

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন ৩৮ বীর রণজয়ী রাজস্থলী সাব জোনের পরিচালনায় রাজস্থলী উপজেলাধীন রাজস্থলীতে ৩০ জুন মঙ্গলবার শুরু হয়েছে ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’। এ উপলক্ষে রাঙ্গামাটি রাজস্থলী সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী ও চারা বিতরনী অনুষ্ঠান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প অধিনায়ক মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত, রাজস্থলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ উপানন্দ দাশ ও অন্যান্য সেনাকর্মকর্তা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান,রবার্ট ত্রিপুরা, দুই নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা, উদয় তঞ্চঙ্গ্যা, ক্যাসাচিং মারমা, নুরুলরআলম, হেডম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার, কারবারী, সুশীল সমাজের সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহ গণমাধ্যমকর্মী।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়।

পরবর্তীতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যাক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপে রোপনের জন্য বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

মেজর হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’ সেই ধারাবাহিকতারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষে জানা যায়।

×