| ৫ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য গুজব ; উভয়েই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী

বাঘাইছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য গুজব ; উভয়েই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী


‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক যুবক ও এক তরুণীকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই করে জানা গেছে, প্রচারিত তথ্যের অনেকাংশই ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

‎তথ্যানুসারে, যুবকের নাম ইটো চাকমা। তার বাড়ি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার জীবতলী গ্রামে। অন্যদিকে তরুণীর নাম আঁখি চাকমা, তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায়।

‎ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা সৃষ্টি হলে স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, আঁখি চাকমার মা কহিনুর আক্তার পূর্বে মুসলিম ধর্মাবলম্বী ছিলেন। পরে তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে কালাইয়া চাকমাকে বিয়ে করেন। এ কারণে মেয়েটির পারিবারিক পটভূমি ও চেহারা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।

‎তবে স্থানীয় সূত্র, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আঁখি চাকমা জন্মসূত্রে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং চাকমা সম্প্রদায়ের সদস্য। একইভাবে ইটো চাকমাও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।

‎আঁখি চাকমা জানান, তার মায়ের নাম কহিনুর আক্তার এবং বাবার নাম কালাইয়া চাকমা। তাদের স্থায়ী বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায়। তিনি ছোটবেলা থেকে দাদির বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং পাকুজ্যাছড়ি এলাকার উলুছড়ি মৌজা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।

‎তাদের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে আঁখি চাকমা বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। সেই পরিচয় থেকেই পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে যেসব তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

‎সচেতন মহলের অভিমত, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং ভুল তথ্যের বিস্তার রোধে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা নিশ্চিত করাই একজন সচেতন হ দায়িত্ব।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

বাঘাইছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য গুজব ; উভয়েই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং,
বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টু খান (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪ জুন (বুধবার) রাত ১ টার দিকে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়ন কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিন্টু খান আমুয়াবাইদ গ্রামের মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক কর্মী এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।​

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিন্টু খান গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।​

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান জানান, বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিন্টু খানের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।​ ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় বিএনপি প্রয়াত নেতা মজিদ মাস্টারের ছেলে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মিন্টু খানের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়ার খই খই মারমা নতুন ঘরে ঠাই চাবি হস্তান্তর : ইউএনও

বাঘাইছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য গুজব ; উভয়েই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার জন্য সরকারীভাবে নতুন ঘরে বরাদ্দকৃত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন রাজস্থলী উপজেলার নিজ গ্রামে চুশাক পাড়ায় একটি আধা-পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর সরকারের উপহার হিসেবে এই ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিবারকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর নির্দেশে রাজস্থলীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম নতুন ঘর চাবি পরিবার নিকট হস্তান্তর করেন।

ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদকজয়ী দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা জীর্ণশীর্ণ ও বাঁশের বেড়ার ঘরে বসবাসকারী এই কৃতি ক্রীড়াবিদের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তাঁকে একটি স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ঘরটি তার পরিবারকে বুঝাই দেওয়া হয়। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণের আশ্বাস দেন এবং নির্মাণের কাজ যথাযত ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসকে নির্দেশ প্রদান করেন।

ঘর হস্তান্তর করার সময় কাপ্তাই খাদ্য বিভাগের ওসিএলএসডি পলাশ সহ স্থানীয় ইউপি মেম্বার ক্যাসাচিং মারমা, নুরুল আলম মেম্বার ও এলাকাবাসী গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ছবি ক্যাপসন- রাজস্থলীতে খই খই সাই মারমার পরিবার কে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম।

দীঘিনালা বেতছড়ি যুব সংঘ ক্লাবকে দ্বিতীয় দফায় জার্সি বিতরণ

বাঘাইছড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য গুজব ; উভয়েই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় ও তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেছেন দৈনিক নতুন সময়ের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: মোবারক হোসেন। বৃহস্পতিবার ৪ জুন দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি ৪নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের হাতে জার্সি তুলে দেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সাংবাদিক মোবারক হোসেন বলেন, ক্রীড়া চর্চা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, বরং শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশেও সহায়তা করে। তিনি তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপকারভোগিরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে যুব সমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ সময় তারা আরও বলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হবে। খেলোয়াড়রা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও ক্রীড়াবান্ধব এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জার্সি বিতরণকালে উপস্তিত ছিলেন দৈনিক নতুন সময় ও গণকণ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লোকমান হোসেনসহ খেলোয়াড় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

×