| ৪ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং,
বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টু খান (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪ জুন (বুধবার) রাত ১ টার দিকে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়ন কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিন্টু খান আমুয়াবাইদ গ্রামের মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক কর্মী এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।​

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিন্টু খান গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।​

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান জানান, বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিন্টু খানের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।​ ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় বিএনপি প্রয়াত নেতা মজিদ মাস্টারের ছেলে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মিন্টু খানের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়ার খই খই মারমা নতুন ঘরে ঠাই চাবি হস্তান্তর : ইউএনও

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার জন্য সরকারীভাবে নতুন ঘরে বরাদ্দকৃত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন রাজস্থলী উপজেলার নিজ গ্রামে চুশাক পাড়ায় একটি আধা-পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর সরকারের উপহার হিসেবে এই ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিবারকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর নির্দেশে রাজস্থলীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম নতুন ঘর চাবি পরিবার নিকট হস্তান্তর করেন।

ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদকজয়ী দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা জীর্ণশীর্ণ ও বাঁশের বেড়ার ঘরে বসবাসকারী এই কৃতি ক্রীড়াবিদের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তাঁকে একটি স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ঘরটি তার পরিবারকে বুঝাই দেওয়া হয়। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণের আশ্বাস দেন এবং নির্মাণের কাজ যথাযত ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসকে নির্দেশ প্রদান করেন।

ঘর হস্তান্তর করার সময় কাপ্তাই খাদ্য বিভাগের ওসিএলএসডি পলাশ সহ স্থানীয় ইউপি মেম্বার ক্যাসাচিং মারমা, নুরুল আলম মেম্বার ও এলাকাবাসী গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ছবি ক্যাপসন- রাজস্থলীতে খই খই সাই মারমার পরিবার কে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম।

দীঘিনালা বেতছড়ি যুব সংঘ ক্লাবকে দ্বিতীয় দফায় জার্সি বিতরণ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় ও তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেছেন দৈনিক নতুন সময়ের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: মোবারক হোসেন। বৃহস্পতিবার ৪ জুন দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি ৪নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের হাতে জার্সি তুলে দেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সাংবাদিক মোবারক হোসেন বলেন, ক্রীড়া চর্চা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, বরং শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশেও সহায়তা করে। তিনি তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপকারভোগিরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে যুব সমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ সময় তারা আরও বলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হবে। খেলোয়াড়রা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও ক্রীড়াবান্ধব এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জার্সি বিতরণকালে উপস্তিত ছিলেন দৈনিক নতুন সময় ও গণকণ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লোকমান হোসেনসহ খেলোয়াড় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানের রৌনিনপাড়ায় সেনাবাহিনীর আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার রৌনিনপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বম এর ৫ বছরের ছেলের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক আর্থিক ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার ৪ জুন লাল খম লিয়ান বম তার ছেলের চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে আসেন। এ-সময় তিনি জানান, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর চোখের সমস্যায় ভুগছিল এবং দ্রুত চিকিৎসা না করালে যেকোনো সময় শিশুটির চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। ছয় সদস্যের পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় সীমিত আয় দিয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ ও ছেলের ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিশ্চিত করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্প অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শিশুটির চিকিৎসার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে লাল খম লিয়ান বমের ছেলের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। একই সাথে, সেনাবাহিনীর জোরালো তৎপরতায় দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন করে শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপের ফলে শিশুটির চোখ বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। সন্তানের সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ায় লাল খম লিয়ান বম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগের প্রতি গভীর ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও মানবিক সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, খাদ্য সংকটে ত্রাণ বিতরণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

×