| ৫ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রামগড়ে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অসদাচরণের অভিযোগ, সংগঠন থেকে ৫জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

রামগড়ে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অসদাচরণের অভিযোগ, সংগঠন থেকে ৫জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হয়রানির অভিযোগে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজন চালককে সাময়িক বরখাস্ত এবং একজন লাইনম্যানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছে স্থানীয় সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমিতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। যাত্রীরা ভাড়া নিয়ে আপত্তি জানালে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

গত ৩ জুন সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও লাইনম্যান মোঃ আকবরের যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রতিবাদ করলে অনেক সময় অপমানজনক আচরণ ও হয়রানির শিকার হতে হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কার্যকর তদারকি ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে সিএনজি ভাড়া নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে শিক্ষার্থী, নিম্নআয়ের মানুষ ও চাকরিজীবীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন, “প্রতিদিন যাতায়াতে বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে উল্টো খারাপ ব্যবহার করা হয়। সাধারণ মানুষ যেন জিম্মি হয়ে পড়েছে।”

এ বিষয়ে রামগড় সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “৩ জুনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজন চালককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট লাইনম্যানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে সংগঠনের বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরো জানান, বারৈয়ারহাট-রামগড় রুটে নির্ধারিত ভাড়া ১২০ টাকা এবং রামগড়-খাগড়াছড়ি রুটে ২৪০ টাকা। এর বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

রামগড়ে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অসদাচরণের অভিযোগ, সংগঠন থেকে ৫জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং,
বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টু খান (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪ জুন (বুধবার) রাত ১ টার দিকে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়ন কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিন্টু খান আমুয়াবাইদ গ্রামের মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক কর্মী এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।​

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিন্টু খান গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।​

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান জানান, বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিন্টু খানের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।​ ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় বিএনপি প্রয়াত নেতা মজিদ মাস্টারের ছেলে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মিন্টু খানের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়ার খই খই মারমা নতুন ঘরে ঠাই চাবি হস্তান্তর : ইউএনও

রামগড়ে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অসদাচরণের অভিযোগ, সংগঠন থেকে ৫জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার জন্য সরকারীভাবে নতুন ঘরে বরাদ্দকৃত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন রাজস্থলী উপজেলার নিজ গ্রামে চুশাক পাড়ায় একটি আধা-পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর সরকারের উপহার হিসেবে এই ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিবারকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর নির্দেশে রাজস্থলীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম নতুন ঘর চাবি পরিবার নিকট হস্তান্তর করেন।

ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদকজয়ী দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা জীর্ণশীর্ণ ও বাঁশের বেড়ার ঘরে বসবাসকারী এই কৃতি ক্রীড়াবিদের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তাঁকে একটি স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ঘরটি তার পরিবারকে বুঝাই দেওয়া হয়। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণের আশ্বাস দেন এবং নির্মাণের কাজ যথাযত ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসকে নির্দেশ প্রদান করেন।

ঘর হস্তান্তর করার সময় কাপ্তাই খাদ্য বিভাগের ওসিএলএসডি পলাশ সহ স্থানীয় ইউপি মেম্বার ক্যাসাচিং মারমা, নুরুল আলম মেম্বার ও এলাকাবাসী গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ছবি ক্যাপসন- রাজস্থলীতে খই খই সাই মারমার পরিবার কে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম।

দীঘিনালা বেতছড়ি যুব সংঘ ক্লাবকে দ্বিতীয় দফায় জার্সি বিতরণ

রামগড়ে সিএনজি ভাড়া নৈরাজ্য: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অসদাচরণের অভিযোগ, সংগঠন থেকে ৫জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় ও তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেছেন দৈনিক নতুন সময়ের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: মোবারক হোসেন। বৃহস্পতিবার ৪ জুন দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি ৪নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের হাতে জার্সি তুলে দেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সাংবাদিক মোবারক হোসেন বলেন, ক্রীড়া চর্চা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, বরং শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশেও সহায়তা করে। তিনি তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপকারভোগিরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে যুব সমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ সময় তারা আরও বলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হবে। খেলোয়াড়রা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও ক্রীড়াবান্ধব এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জার্সি বিতরণকালে উপস্তিত ছিলেন দৈনিক নতুন সময় ও গণকণ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লোকমান হোসেনসহ খেলোয়াড় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

×