| ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

টানা ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত চিকিৎসায় প্রস্তুত বন বিভাগ

টানা ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত চিকিৎসায় প্রস্তুত বন বিভাগ

 

স্টাফ রিপোর্টার :

টানা ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে একটি বন্য মা হাতি আহত হয়েছে। খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতিটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

শনিবার (১১ জুলাই)২৬ খ্রিঃ টানা বৃষ্টিপাতের মধ্যে টেকনাফের একটি পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং আহত হাতিটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আহত মা হাতিটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী হাতিটির চিকিৎসা ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, হাতিটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করে প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বান্দরবানে বন্যার মাঝেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা: প্রকৌশলী সৈয়দ মো আমির হোসেন।

টানা ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত চিকিৎসায় প্রস্তুত বন বিভাগ

মো. আলম; বান্দরবান সংবাদদাতা:

প্রকৃতির রুদ্ররূপ বন্যা কবলিত করেছে বান্দরবানের জনজীবন। পাহাড়ি ঢল, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা আর দুর্যোগের মধ্যেও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বিদ্যুৎ সেবা স্বাভাবিক রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন বিভাগের কর্মীরা।

বান্দরবান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বশীল নেতৃত্বে বন্যার পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত, সাব-স্টেশন সচল রাখা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাঠে ছিলেন পুরো টিম।

এই সাফল্যের পেছনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন বান্দরবান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন।

বন্যার শুরু থেকেই তিনি নিজে মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে কাজ তদারকি করেছেন। কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে, ঝুঁকি নিয়ে হলেও বিদ্যুৎ লাইন চালু রাখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন্যার কারণে যখন চারদিক অন্ধকার হয়ে যাওয়ার কথা, তখনও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র ও ঘরবাড়িতে আলো ছিল। এজন্য তারা প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন ও তার টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের এমন পেশাদারিত্ব ও মানবিক সেবা দুর্যোগের সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভরসা হয়ে উঠেছে। প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেনের নেতৃত্বে বিভাগ যে সেবার নজির স্থাপন করল, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের পাশে তাঁতী দল নেতা আফসার উদ্দিন

টানা ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত চিকিৎসায় প্রস্তুত বন বিভাগ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন কাপ্তাই উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি আফসার উদ্দিন। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া প্রায় ২৫০ জন মানুষের মাঝে আজ দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি উন্নতমানের খাবার বিতরণ করেছেন। ​

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে এসব খাবার বিতরণ করা হয়। পাহাড় ধসের ফলে ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ও তাদের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে এই উদ্যোগ নেন তিনি। ​খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হারুনুর রশিদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইমাম উদ্দিন, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুব আলম বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,মহিউদ্দিন সওদাগর ও শাহজালাল চৌধুরী। ​ত্রাণ বিতরণের সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। ​

আয়োজক আফসার উদ্দিন বলেন, “দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমি তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি আমাদের সহায়তার হাত অব্যাহত থাকবে।” ​নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এই মানবিক সহায়তা পেয়ে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিত্তবানদের এমন সংকটে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায়  পৌঁছে গেছে মেডিকেল টীম

টানা ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি আহত চিকিৎসায় প্রস্তুত বন বিভাগ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা কবলিত এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে একটি মেডিকেল টীম পাঠানো হয়েছে বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত।

রবিবার (১২ ই জুলাই) ইউএনও মো. জাকির হোসেন এরঁ  নির্দেশে এই টীম পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও জানান, মেডিকেল অফিসার ডা. রনি সরকারের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল টীম ফারুয়া ইউনিয়নে তক্তানালা ও ফারুয়া বাজার ও গোয়াইছড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন গ্রামে ভাসমান মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে বা হবে।

সিনিয়র নার্স প্রবীর তঞ্চঙ্গ্যা’র স্টারলিং এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ১১০ জনকে সেবা দিয়েছেন, বেশিরভাগ জ্বর ও চর্ম রোগী।তাদেরকে সহযোগিতা করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের অসীম চাকমা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এবং সবসময় পাশে রয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি,হেডম্যান – কার্বারী ও সুশীল সমাজ।

×