মুকুলে ছেয়ে গেছে আমের রাজধানী সাজেক, বাম্পার ফলনের আশা চাষিদের
রুপম চাকমা, দিঘীনালা :
রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার পাহাড়ি জনপদ সাজেক ভ্যালি এখন সাদা-হলুদ মুকুলের সুগন্ধে ভরে উঠেছে। আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের বাগানগুলোতে গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ দেখে উচ্ছ্বসিত চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম থাকায় এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, শীতের শেষে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ায় এবং বৃষ্টি কম থাকায় মুকুল ধরার হার ভালো হয়েছে। বিশেষ করে বার্মিস, আম রুপালি, ও হিমসাগর জাতের গাছে মুকুলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
ফলে ফলন ভালো হলে বাজারে আমের সরবরাহও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া গ্রামের আম চাষি জ্ঞান কুমার চাকমা
বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর মুকুল বেশি এসেছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তাহলে ভালো ফলন পাবো।” তবে তারা আশঙ্কা করছেন, হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় বা অতিবৃষ্টি হলে মুকুল ঝরে যেতে পারে।
কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে—মুকুল ঝরা রোধে সঠিক সময়ে সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগ, পাশাপাশি রোগবালাই দমনে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সাজেকের আম দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাইরেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি করবে।
সব মিলিয়ে, মুকুলে ছেয়ে যাওয়া সাজেক এখন সম্ভাবনার সুবাস ছড়াচ্ছে। চাষিদের মুখে হাসি, আর বাম্পার ফলনের আশায় দিন গুনছেন তারা।



















