শিরোনাম:

চিম্বুক ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে প্রচারণা

চিম্বুক ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে প্রচারণা

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের চিম্বুক ১২ মাইল ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ দল ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দলের উদ্যোগে এ প্রচারণা পরিচালনা করা হয়।

আজ (১৭ মে) রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ও প্রধান বক্তার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুলসুমা আক্তার, উপজেলা বায়োডাইভারসিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর, বান্দরবান সদর উপজেলা।

 

প্রচারণায় অংশ নেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ দল ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দলের সদস্যরা, পাড়া কারবারি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। অনুষ্ঠানে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং অবৈধ শিকার ও পাচারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পায়া ম্রো, দলনেতা, ন্যাচার টিম ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দল; কুপাও ম্রো, সহকারী দলনেতা, ন্যাচার টিম, সুয়ালক ইউনিয়ন; লেংতয় ম্রো, সদস্য, বিসিজি, রেনিক্ষ্যং বাগান পাড়া; তুমপাও ম্রো, সাধারণ সম্পাদক, বিসিজি, রেনিক্ষ্যং বাগান পাড়া; চামরুম ম্রো, সভাপতি, বিসিজি, রাংলাই চেয়ারম্যান পাড়া; রুইপাও ম্রো, সাধারণ সম্পাদক, বিসিজি, রাংলাই চেয়ারম্যান পাড়া এবং খেতরাও ম্রো, AIGA ও BF প্রতিনিধি, রাংলাই চেয়ারম্যান পাড়া ও রেনিক্ষ্যং বাগান পাড়া বিসিজি সাইট।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন কুলসুমা আক্তার। এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকার জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

বিলাইছড়িতে ধান কাটতে ব্যস্ত কৃষকেরা ; ৮০% পাকলে কাটার পরামর্শ কৃষি অফিসের

চিম্বুক ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে প্রচারণা

ঘরে তুলতে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগবে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির  কাপ্তাই হ্রদের জলেভাসা জমির উপর বোরো ধান চাষ করা কৃষকরা ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দ্রুত পানি না কমানোর ফলে দেরীতে যারা ধান রোপণ করেছেন তাদের অনেকের এখনো কাঁচা, অনেকের থোড়, অনেকের বের হওয়ার কাছাকাছি। অনেকে পরিচর্চায় ব্যস্ত। তবে তুলনামূলক ভাবে কৃষকরা সচেতন হওয়ায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে এ বছরে জমিতে রোগ-বালাই কম।

সরেজমিনে দেখতে গিয়ে দেখা গেছে, বিলাইছড়ি উপজেলা সামনে কুতুবদিয়া, ধুপ্যাচর, দীঘলছড়ি, আমতলা, ভালাছড়ি, মাইত কাবা ছড়া, গাইতবান, সাক্রাছড়ি, শেলচছড়ি এলাকায় অনেকে ধান কাটতে দেখা গেছে। এইসব বিষয়ে ধূপ্যাচর এলাকার কৃষক থুইপ্রু মার্মা (আকাশ) জানান, গত বছরে নভেম্বরে ২৫ তারিখে বীজতলা (জালা ধান) করেছি। এবছরে ১২ ডিসেম্বর বীজতলা করেছি বলে এখনো ধান কাটতে পারি নাই। আরো ১০-১৫ দিন পরে ধান কাটা শুরু করবো। একি কথা বলেন আমতলীর সুব্রতসহ কুতুব দিয়ার অনেকে। কৃষক উদয় তঞ্চঙ্গ্যা, রাজা পাংখোয়া জানান, ধান কাটা শেষ করেছি। তবে এবছরে শ্রমিকের দাম একটু বেশি। তেলের জন্যও অনেক সমস্যা হয়েছে।

উঁচু জমিতে যারা চাষ করেছেন কিছু কৃষক  কাটা শেষ করে ঘরে তুললেও, অনেকে এখন  কাটা শুরু করেছেন । অনেকে ধান পাকার সবেমাত্র শুরু হয়েছে । আবার দেরীতে নীচু জায়গায় যারা রোপন করেছেন তাদের এখনো শীষ সবেমাত্র  বের হচ্ছে। অনেকে আরো ২০ দিন মতো সময় লাগবে। যা পাকতে প্রায় বা ঘরে তুলতে  ৩০  জুলাই পর্যন্ত  চলে আসবে। ততক্ষণ পর্যন্ত বাধের পানি কমিয়ে রাখা গেলে সবাই ঘরে ধান তুলতে পারবেন।  একিভাবে ধান মাড়াইয়ের মালিক কয়েকজন জানান, এখনো উপরে অংশে যারা চাষ করেছে তারাই ধান মাড়াই করছে।  জানা মতে ৪ ভাগে ১ ভাগ ধান এখনো ঘরে তুলতে পেরেছে। জমিতে এখনো ধান কটা শুরু করেছে।

এইসব বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেশ প্রসাদ রায় এবং  কৃষি সম্প্রসারণ  কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক জানান, উপজেলায় এখনো ২৫% এঁর মতো ধান কাটা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জুনের মধ্যে বেশি ধান ঘরে  তুলবেন। তবে সব ধান ঘরে তুলতে জুলাই মাস  শেষ পর্যন্ত সময় লাগবে। ৮০ % পাকলে কেটে ফেলবেন। কারণ এবছর একটু দেরীতে ধান রোপণ করতে পেরেছে কৃষকরা।

সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা বাস সওজ এর দেয়ালে ঠেক ; ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়া থেকে রক্ষা পেল ৪৮ যাত্রী

চিম্বুক ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে প্রচারণা

 

ষ্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন বাসের ৪৮ জন যাত্রী।
রাঙ্গামাটি শহরের প্রবেশমুখ সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
সড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল থাকার কারনে বাস’টি প্রায় ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়া থেকে রক্ষা পেলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেয়ালটি না থাকলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারতো।​ দুর্ঘটনায় বাসে থাকা অন্তত ১২-১৪ জন’যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত এবং কেটে-ছিঁড়ে গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।​

প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসযাত্রীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রাঙ্গামাটি’গামী যাত্রীবাহী বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৫৭৭৭) দুপুরে সাপছড়ি এলাকায় পৌঁছায়, তখন গুঁড়ি-গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। পাহাড়ের একটি বিপজ্জনক ঢালু মোড় (টার্নিং) নামার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে সওজের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
বাসের ধাক্কায় দেয়ালটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেটি গাড়িটিকে খাদের নিচে পড়ে যাওয়া থেকে আটকে রাখে। দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতর হুলস্থুল পড়ে যায় এবং যাত্রীরা জানালা ও দরজা দিয়ে তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে আসেন।

​যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ ও পিচ্ছিল রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় চালক দীর্ঘক্ষণ ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। যাত্রীরা বারবার বারণ করা সত্ত্বেও চালক ফোন রাখেননি। মোড় ঘোরার সময় চালকের এক হাত ফোনে থাকায় তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি।​

যাত্রীরা আরও অভিযোগ করেন, এই রুটে চলাচলকারী অধিকাংশ বাসই ঢাকা থেকে বাতিল (রিজেক্ট) হওয়া পুরোনো গাড়ি। হানিফ, সৌদিয়া বা রিলাক্সে’র মতো দূরপাল্লার কোম্পানির পুরোনো লক্কড়-ঝক্কড় গাড়িগুলো কম দামে কিনে মালিকরা রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে চালাচ্ছেন। এই গাড়ি’টি যাত্রাপথেই কয়েকবার বিকল হয়েছিল। এমন ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ির কারণে এই সড়কে প্রতিনিয়ত যাত্রীদের জীবন বাজি রেখে চলতে হচ্ছে।​

রাঙ্গামাটি মানিকছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জামাল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে। আহত ১২-১৪ জনের মধ্যে ৪ জনের শরীর কেটে গেছে। তবে কারো আঘাত আশঙ্কাজনক নয়। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।​

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শওকত আকবর বলেন, বাস দুর্ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা স্থানীয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কোনো রোগী হাসপাতালে আসেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যেকোনো জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত ছিল।​

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং পলাতক চালক ও হেলপারকে আটক করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বাঘাইছড়ি সোনালী ব্যাংকে আইটি কর্মকর্তার দেরিতে আসা, গ্রাহকদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ

চিম্বুক ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় অবৈধ বন্যপ্রাণী শিকার, পাচার ও ব্যবসা প্রতিরোধে প্রচারণা


‎আনোয়ার হোসেন,
‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার Sonali Bank বাঘাইছড়ি শাখায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পরে “Officer (IT)” অফিসে উপস্থিত হওয়ার ঘটনায় গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার (১৭ মে) সকালে।

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যাংকে উপস্থিত গ্রাহক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের “Officer (IT)” সুধাকর দাস নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ব্যাংকে আসেন। এতে সকাল থেকেই বিভিন্ন সেবার জন্য লাইনে অপেক্ষমাণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

‎সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজার জ্ঞানো বাবু কে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট “Officer (IT)” এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। ফোনে সুধাকর দাস জানান, তিনি তখনও পথে রয়েছেন এবং ব্যাংকে পৌঁছাতে আরও প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগবে।

‎ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে ব্যাংক ম্যানেজার বলেন,
‎“আমি আগেই মিটিংয়ে সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। তারপরও এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

‎ব্যাংকে অপেক্ষমাণ একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা সময়মতো সেবা পাননি। কর্মকর্তার দেরিতে আসার কারণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

‎এদিকে,Sonali Bank-এর “Officer (IT)”  সুধাকর দাস ১১টায় ব্যাংকে প্রবেশ করার সময় তাকে জিজ্ঞাসা করি, “আপনার বাসা কোথায়?” তিনি উত্তরে বলেন, “চট্টগ্রাম।” এরপর আমি জানতে চাই, “আপনার অফিস টাইম কয়টা?” কিন্তু তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করেন।

‎পরবর্তীতে তার সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন এবং বলেন, “আমি কেন সাক্ষাৎ দেব?” এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

‎উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের ০৪.০০.০০০০.০০০.৩১১.০৬.০১০৪.২৬.৩১৯(১৩) নম্বর পত্র অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এবং ব্যাংকিং লেনদেনের সময় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎ঘটনার পর দিনভর ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলতে দেখা যায়। স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

×