| ৫ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

মতভিন্নতা ও আঞ্চলিক রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রাম : আস্থার সেতু পুনর্গঠনের এখনই সময়

মতভিন্নতা ও আঞ্চলিক রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রাম : আস্থার সেতু পুনর্গঠনের এখনই সময়


​নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের এক অনন্য ভূ-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল। দীর্ঘদিনের সংঘাত, অবিশ্বাস ও বঞ্চনার ইতিহাস পেরিয়ে ১৯৯৭ সালের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির মাধ্যমে এখানে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। সেই চুক্তির মূল চালিকাশক্তিই ছিল—পারস্পরিক আস্থা, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জনগোষ্ঠীর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব।

সংবাদ সম্মেলনে যৌথ ব্রিফিং ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর :

আজ ৪ জুন ২০২৬ রাঙামাটিতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ২৯৯ নং সংসদীয় আসন-রাঙামাটির সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের পক্ষে যৌথভাবে প্রেস ব্রিফিং করেন বিশিষ্ট আঞ্চলিক নেতা পহেল চাকমা এবং এম এ আবুল বাশার। ব্রিফিং শেষে নেতৃদ্বয় পার্বত্য অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তীক্ষ্ণ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন এবং মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক রদবদল নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আলোকপাত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃদ্বয় অত্যন্ত জোরালোভাবে উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ঘিরে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে গভীর উদ্বেগজনক। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপন দেওয়ানকে পুনর্বহাল এবং বর্তমান মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে। এই দাবি মূলত এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মনের গভীরে থাকা সুপ্ত প্রত্যাশা ও তীব্র উদ্বেগেরই আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ।

নেতৃবৃন্দের স্পষ্ট বক্তব্য :

“এই দাবিকে কেবল কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট পদকেন্দ্রিক ক্ষমতার লড়াই হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বরং এটি একটি বৃহত্তর মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে—পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির মূল চেতনা আজ কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে?”

পহেল চাকমা ও এম এ আবুল বাশার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, শান্তিচুক্তিতে যেভাবে স্থানীয় আদিবাসী ও স্থায়ী জনগোষ্ঠীর সুনির্দিষ্ট প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণের কথা সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে কি না—তা এখন খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত এই অঞ্চলের শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

শাসন কাঠামো ও অনির্বাচিত পরিষদের স্থবিরতা :

​সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদসমূহের দীর্ঘদিনের অনির্বাচিত অবস্থা সামগ্রিক প্রশাসনিক কাঠামোকে চরমভাবে দুর্বল ও স্থবির করেছে—এমন অভিযোগ কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। পার্বত্য অঞ্চলে একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিত্বের কোনো বিকল্প নেই। ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি।

সমাধানের পথ :

সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তি তবে এই উদ্ভূত সংকটের সমাধান কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব, সংঘাত বা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সম্ভব নয়। বরং উন্মুক্ত সংলাপ, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা এবং সর্বস্তরের মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বাস্তবতায় স্থানীয় নেতৃত্বের এই যৌক্তিক দাবিগুলোকে সরকারের একটি ইতিবাচক সাড়া ও ফিডব্যাক হিসেবে দেখা উচিত।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের সমাপনী উত্তর দিতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে অতীতে যেমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল, ঠিক তেমনি বর্তমান পরিস্থিতিও তাঁর কাছ থেকে একটি বিচক্ষণ, ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।

​সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ যেন মন থেকে অনুভব করতে পারেন যে, তারা এই স্বাধীন রাষ্ট্রের সমান মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক এবং তাদের কণ্ঠস্বর রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। আস্থার এই সেতুটি যত মজবুত হবে, ততই পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই শান্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম হবে।

এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের প্রয়োজন কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে কৃত্রিমভাবে জিতিয়ে দেওয়া নয়, বরং সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি সর্বজনগ্রহণযোগ্য ও স্থিতিশীল সমাধানের দিকে সততার সাথে এগিয়ে যাওয়া। পার্বত্য চট্টগ্রামের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং শান্তিময় সহাবস্থান আজকের এই সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তের ওপরই সম্পূর্ণ নির্ভর করছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্র :

২৯৯ নং সংসদীয় আসন-রাঙামাটির সাবেক এমপি পদপ্রার্থীদের পক্ষে পহেল চাকমা ও এম এ আবুল বাশার কর্তৃক উপস্থাপিত মূল বক্তব্য ও প্রশ্নোত্তর পর্ব (৪ জুন ২০২৬)।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদল কর্মী নিখোঁজের চার দিন পর বিলে থেকে লাশ পাওয়া গেলো

মতভিন্নতা ও আঞ্চলিক রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রাম : আস্থার সেতু পুনর্গঠনের এখনই সময়

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং,
বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিখোঁজের চার দিন পর মিন্টু খান (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪ জুন (বুধবার) রাত ১ টার দিকে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়ন কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিন্টু খান আমুয়াবাইদ গ্রামের মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক কর্মী এবং স্থানীয় যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।​

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিন্টু খান গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।​

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান জানান, বুধবার গভীর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিন্টু খানের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।​ ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাতেই পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় বিএনপি প্রয়াত নেতা মজিদ মাস্টারের ছেলে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মিন্টু খানের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়ার খই খই মারমা নতুন ঘরে ঠাই চাবি হস্তান্তর : ইউএনও

মতভিন্নতা ও আঞ্চলিক রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রাম : আস্থার সেতু পুনর্গঠনের এখনই সময়

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার জন্য সরকারীভাবে নতুন ঘরে বরাদ্দকৃত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন রাজস্থলী উপজেলার নিজ গ্রামে চুশাক পাড়ায় একটি আধা-পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর সরকারের উপহার হিসেবে এই ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিবারকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর নির্দেশে রাজস্থলীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম নতুন ঘর চাবি পরিবার নিকট হস্তান্তর করেন।

ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদকজয়ী দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা জীর্ণশীর্ণ ও বাঁশের বেড়ার ঘরে বসবাসকারী এই কৃতি ক্রীড়াবিদের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তাঁকে একটি স্থায়ী ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ঘরটি তার পরিবারকে বুঝাই দেওয়া হয়। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সরেজমিনে জায়গা পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণের আশ্বাস দেন এবং নির্মাণের কাজ যথাযত ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসকে নির্দেশ প্রদান করেন।

ঘর হস্তান্তর করার সময় কাপ্তাই খাদ্য বিভাগের ওসিএলএসডি পলাশ সহ স্থানীয় ইউপি মেম্বার ক্যাসাচিং মারমা, নুরুল আলম মেম্বার ও এলাকাবাসী গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ছবি ক্যাপসন- রাজস্থলীতে খই খই সাই মারমার পরিবার কে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম।

দীঘিনালা বেতছড়ি যুব সংঘ ক্লাবকে দ্বিতীয় দফায় জার্সি বিতরণ

মতভিন্নতা ও আঞ্চলিক রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রাম : আস্থার সেতু পুনর্গঠনের এখনই সময়

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় ও তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেছেন দৈনিক নতুন সময়ের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: মোবারক হোসেন। বৃহস্পতিবার ৪ জুন দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি ৪নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের হাতে জার্সি তুলে দেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সাংবাদিক মোবারক হোসেন বলেন, ক্রীড়া চর্চা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, বরং শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশেও সহায়তা করে। তিনি তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপকারভোগিরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে যুব সমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ সময় তারা আরও বলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকার তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হবে। খেলোয়াড়রা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও ক্রীড়াবান্ধব এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জার্সি বিতরণকালে উপস্তিত ছিলেন দৈনিক নতুন সময় ও গণকণ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লোকমান হোসেনসহ খেলোয়াড় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

×