| ২৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

কাপ্তাই লেকে বিএফডিসির অভিযান: ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ

কাপ্তাই লেকে বিএফডিসির অভিযান: ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

কাপ্তাই লেকে অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধ এবং প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। অভিযানে ৪টি সাধারণ নৌকা এবং ২০ হাজার বর্গফুট অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বিলাইছড়ি বাজার ও বহলতলী বাজারসংলগ্ন কাপ্তাই লেক এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

বিএফডিসি কাপ্তাই উপকেন্দ্রের উপব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, লেকে অবৈধভাবে মাছ শিকারের সময় ৪টি সাধারণ নৌকা, ১৮ হাজার বর্গফুট সুতার জাল এবং ২ হাজার বর্গফুট কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত নৌকা ও জাল বর্তমানে বিএফডিসির হেফাজতে রয়েছে।

এ বিষয়ে বিএফডিসি কাপ্তাই উপকেন্দ্রের উপব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিন জানান, কাপ্তাই লেকের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং অবৈধ মাছ শিকার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক মৎস্যপ্রজনন ও বিপণন সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বিলাইছড়িতে বিএফডিসি’র অভিযানে ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ 

কাপ্তাই লেকে বিএফডিসির অভিযান: ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

কাপ্তাই হ্রদে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টা হতে ১টা পর্যন্ত বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, কাপ্তাই উপকেন্দ্রের উপ-ব্যবস্থাপক মোঃ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে বিলাইছড়ি উপজেলাধীন সদর ইউনিয়নের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে বিলাইছড়ি বাজার এলাকা ও বহলতলী সংলগ্ন কাপ্তাই লেকে অভিযান পরিচালনা করে ৪টি কাঠের নৌকা, ১৮,০০০ বর্গফুট সুতার জাল এবং ২,০০০ বর্গফুট কারেন্ট জাল জব্দ করে।

পরবর্তীতে জব্দকৃত কাঠের নৌকা ও সুতার জাল বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, রাঙ্গামাটি এর নির্দেশনা মোতাবেক প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হবে এবং অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলা হবে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য যে, মৎস সুরক্ষা ও সংরক্ষন বিধিমালা ১৯৮৫ এর ১২ বিধিমালা লংঘনের কারনে মৎস সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ১৯৫০ এর ৫ ধারা অনুযায়ী অবৈধ মৎস্য জাল জব্দ করা হয়।

অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত মুছে নতুন রূপে কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, ফিরছে পাঠদান

কাপ্তাই লেকে বিএফডিসির অভিযান: ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের আগুনে পুড়ে যাওয়া কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়ন এবং রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবারও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে যাচ্ছে বিদ্যালয়টি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পুনর্নির্মাণকৃত বিদ্যালয় ভবন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যালয়ের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হলে দ্রুত বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়।পরে জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়নে এবং রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়টির পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে বিদ্যালয়টিকে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তোলা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শামীম বলেন, “বিদ্যালয়টি এখন সম্পূর্ণভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী। খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীরা নতুন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। শিক্ষা কার্যক্রম যাতে দীর্ঘদিন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই দ্রুত পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।”

রামগড়ে নিরাপত্তা জোরদারে ৪৩ বিজিবির আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই লেকে বিএফডিসির অভিযান: ৪ নৌকা ও ২০ হাজার বর্গফুট জাল জব্দ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার, চোরাচালান, জুয়া এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশিং) প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির রামগড়ে ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রামগড় ৪৩ বিজিবি জোন সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রামগড় জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ৪৩ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মইনুল আলম, সহকারী পরিচালক (এডি) মো. শামছুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া, রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম, রামগড় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. ফয়েজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা আহ্বায়ক মো. হারুন রশীদ, বিভিন্ন মৌজার হেডম্যান ও কার্বারী, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালান পরিস্থিতি, জুয়া নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাই যথেষ্ট নয়; স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সভাপতির বক্তব্যে রামগড় জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম বলেন, সীমান্তে অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় জনগণকে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রমের তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

×