| ২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ আগস্ট কাপ্তাইয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ আগস্ট কাপ্তাইয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) সমূহ বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত উপজেলা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ ‘কিন্নরী’তে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম। সভা চলাকালীন ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে বিশেষ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এসডিজি ভিলেজ প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ও উপসচিব মো. জুবায়ের।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কাপ্তাই উপজেলার ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন। যা সারা দেশের জন্য একটি অনন্য রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য—যেমন দারিদ্র্য দূরীকরণ, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠন, মানসম্মত শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ সার্বিক টেকসই উন্নয়নের সুফল এই গ্রামের মানুষ ভোগ করবেন। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—

এসডিজি ভিলেজ প্রকল্পের কোর্ডিনেটর মনজুরুল হক,উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী, কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো: নাজমুল হাসান, কাপ্তাই তথ্য সহকারী কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম চৌধুরী, বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার।

কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল,রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক   দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ,কাপ্তাই উপজেলা জামাতে আমীর মো: হারুনুর রশিদ, কাপ্তাই বিএনপির, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সে হাসপাতাল টিএসও ডা. রুইহ্লা অং মারমা, ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমা ইলিয়াস, চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ঐতিহ্যবাহী হেডম্যান, শিক্ষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এগিয়ে এসেছেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা-ও

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ আগস্ট কাপ্তাইয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখা।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাত ৯ টায় শাক্যপ্রিয় ভিক্ষু এক মেসেজ বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত ২৪ তারিখ, শুক্রবার হতে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে মোট ১০৪ পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০০০/-টাকা করে সর্বমোট- ১০৪,০০০/- (একলক্ষ চার হাজার টাকা) নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। গ্রামগুলো হলো- চাইন্দ্যা, উলুছড়ি, তক্তানালা উত্তর

পাড়া, তারাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, গোয়াইনছড়ি ও তক্তানালা দক্ষিণ পাড়া। মোট ৭টি গ্রাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি আর্য্যলঙ্কার মহাথের, সাধারণ সম্পাদক বিপুল জ্যোতি মহাথের-সহ অন্যান্যা ভিক্ষু সংঘ।

রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ আগস্ট কাপ্তাইয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুটি পৃথক বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বাড়ি দুটি রামগড় থানা থেকে মাত্র প্রায় ৩০০ গজ দূরে অবস্থিত। থানার এত কাছাকাছি এলাকায় পরপর চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, একটি বাড়ির নির্মাণাধীন ছাদ থেকে দুর্বৃত্তরা লোহার রড কেটে নিয়ে গেছে। অপর একটি বাড়ি থেকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হয়েছে।

প্রথম ঘটনায় ভুক্তভোগী রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক আব্দুল হাই জানান, কয়েক দিনের মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের রড কেটে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, “ঘরের ছাদ থেকে রড চুরি হতে দেখে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।”অপর চুরির ঘটনা ঘটে সাংবাদিক বেলাল হোসাইনের ভাড়া বাসায়। ঘটনার সময় তাঁর ভাড়াটিয়া বাসায় না থাকায় সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

সাংবাদিক বেলাল হোসাইন বলেন, “আমার ভাড়াটিয়া ওই সময় বাসায় ছিলেন না। দুর্বৃত্তরা এ সুযোগে ঘরে ঢুকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ভাড়াটিয়াকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার জন্য পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলগুলোতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১০ পিএম

থানচির বড়পাথরে নৌকাডুবি; দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার।

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ১০ আগস্ট কাপ্তাইয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রথম ‘এসডিজি ভিলেজ’

 

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ৩৮ বিজিবির অধীনস্থ তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেন। খবর পেয়ে বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। বর্তমানে মরদেহটি তিন্দু মুখ বিজিবি ক্যাম্পের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা ডুবে গেলে পর্যটক মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান নিখোঁজ হন। ঘটনার পর নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

নিখোঁজের পরদিন ২৫ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের একটি প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল থানচিতে পৌঁছায়। তাদের সঙ্গে থানচি ফায়ার সার্ভিসের আরও পাঁচজন সদস্য যোগ দিয়ে মোট আটজন ডুবুরি নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও সেদিন নিখোঁজ পর্যটকের কোনো সন্ধান মেলেনি।

অবশেষে ২৬ জুলাই সকালে তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে ভেসে ওঠে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

নিহত মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) ময়মনসিংহ জেলার মাসকান্দা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ হেলাল উদ্দীন এবং মাতার নাম মোছাঃ দেলোয়ারা আক্তার।

নৌকাডুবির ঘটনায় পর্যটকের নিখোঁজ হওয়া এবং দুই দিন পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকবাহী নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নৌযান চলাচলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিশ্চিত করা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

×