শিরোনাম:

রাজস্থলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ; জ্বালানি তেলের তিন দোকান ও সারের ডিলারকে জরিমানা

রাজস্থলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ; জ্বালানি তেলের তিন দোকান ও সারের ডিলারকে জরিমানা

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাজার তদারকি ও ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অনিয়মের অভিযোগে তিনটি জ্বালানি তেলের দোকান ও একটি সারের ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (৮ মার্চ) রাজস্থলী উপজেলার বিভিন্ন বাজার এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা আক্তার। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় তিনটি জ্বালানি তেলের দোকানকে মোট ১৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কয়েকটি জ্বালানি তেলের দোকানে নির্ধারিত নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছিল না এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দোকানে সংরক্ষিত ছিল না। এ ধরনের অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকদের সতর্ক করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে কৃষি উপকরণ বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে মৃদুল স্টোর নামের একটি সারের ডিলারকে ১৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। বাজারে কৃষি উপকরণ সঠিকভাবে বিক্রি ও সংরক্ষণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা আক্তার বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি তেল ও কৃষি উপকরণ বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক। কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা সহ্য করা হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।”

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলীকদমে পিআইও বিরুদ্ধে কমিশন বানিজ্যের অভিযোগ।

রাজস্থলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ; জ্বালানি তেলের তিন দোকান ও সারের ডিলারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বান্দরবানের আলীকদমে প্রকল্পের কাজের কমিশন নেয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আলীকদম প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কেএম নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তাছাড়া দুটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন ওই নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ আছে, আলীকদম নয়াপাড়া ইউনিয়নের দুটি প্রকল্পের ইউপি মহিলা সদস্যকে সভাপতি দেখিয়ে নিজেই প্রকল্পের কাজ করে সেসব কাজের বিলও উত্তোলন করে ফেলেছেন এই দূর্নীতিবাজ পিআইও। কমিশনের বানিজ্য, প্রকল্পের বিল আটকে রাখাসহ ছিল পাহাড় সমান অভিযোগ। এখানে শেষ নয় এর আগেও সুনামগঞ্জে দিরায় উপজেলাতে একই পদে থাকাকালীন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগে ত্রাণ অধিদপ্তরের বদলী করা হয়। সেখানেও তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের পর শাস্তিমূলক হিসেবে  বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বদলী করে দেন ত্রাণ অধিদপ্তর। এখানে এসেও সেই দুর্নীতির কার্যক্রম চলমান রেখেছেন  তিনি।

জানা গেছে, প্রতিটি প্রকল্পের জনপ্রতিনিধিদের থেকে অফিসের নানা খরচ দেখিয়ে ১৫ শতাংশ কমিশন নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। কমিশন না দিলে কাজের বিল আটকিয়ে নানা হয়রানি করা হয়। কমিশন ছাড়াও চলতি অর্থ বছরে গ্রামীন কাঠামো টিআর প্রকল্পে নিজের ইচ্ছে মতো কাউকে সভাপতি বানিয়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করে ফেলেছেন নিজেই। আর সেই প্রকল্পের ভুক্তভোগী ৭.৮.৯ ওয়ার্ডের ইউপি নারী সদস্য। পড়ালেখা ও শিক্ষিত না হওয়াতেই নারী সদস্যটিকে প্রকল্পের সভাপতি বানিয়ে এমন লুটপাটের কাজ চালাচ্ছে পি আইও।

জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, কাবিখা, কাবিটা, টিআরসহ বিভিন্ন প্রকল্পে প্রতিটি কাজের কমিশন হিসেবে ১৫ শতাংশ গ্রহন করে থাকেন। এর আগেও প্রায় ২৫ শতাংশ হিসেবে কমিশন নিতেন পিআইও। শুধু তাই বিভিন্ন প্রকল্পে জনপ্রতিনিধিরা নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিলেও প্রকল্পের কাজে নির্দিষ্ট অঙ্কের ‘কমিশন’ দিলে ফাইলের গতি বদলে যায় আশ্চর্যজনকভাবে। এভাবে প্রতিটি কাজের প্রকল্পের ১৫ শতাংশ কমিশন নেয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের অন্যকে সভাপতি দেখিয়ে নিজেই কাজের বাস্তবায়ন করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আলীকদমে নয়াপাড়া ইউনিয়নে ৯নং ওয়ার্ডের ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে গ্রামীন কাঠামো টিআর ১ম পর্যায়ে প্রকল্পের মেরিনচর পাড়া সোনে স্কুলের রাস্তা মেরামত। সেখানে প্রকল্পের ওই ইউপি নারী সদস্যকে সারথী রানী ত্রিপুরাকে সভাপতি দেয়া থাকলেও মুল প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে পিআইও নিজেই বাস্তবায়ন করছেন। আর সেখানে মুঠোফোন নাম্বার দেয়া থাকলেও মহিলা সদস্য নাম্বার না দিয়ে ভুল নাম্বার সংযুক্ত দেয়া হয়েছে। একই চিত্র বুজিরমুখ পাড়া যাওয়ার রাস্তায় যাত্রী ছাউনি নির্মাণেও। দুটি প্রকল্পের একই মহিলা ইউপি সদস্যকে ব্যবহার করে এই দুটি প্রকল্পের নিজেই ঠিকাদার হয়ে বাস্তবায়ন করেছেন পিআইও। এই দুটি বরাদ্ধ ছিল পাঁচ লাখ টাকা। সেই দুটি প্রকল্পের কাজের বরাদ্ধ ইউপি নারী সদস্য মাধ্যমে বিল তুলে ফেলেছেন পি আইও।

কুরুকপাতা ও নয়াপাড়া দুই ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাংপু ম্রো ও কফিল উদ্দিন বলেন, প্রতিটি কাজে প্রায় ১৫ পার্সেন্ট কমিশন নিয়ে থাকে। কমিশন না দিলে কোন কাজ কিংবা বিল দিচ্ছে না। এর আগেও ২৫ পার্সেন্ট কমিশন নিতেন। এখন কমিয়ে দিয়ে ১৫ শতাংশ কমিশন নেন। তবে সেসব কমিশন বিষয়ে ইউএনও জানেন না  বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে।

বান্দরবানে ঠিকাদার শামীম হোসেন জানান, উপজেলায় পিআইও থেকে একটি প্যাকেজে দুটি ব্রীজ বরাদ্দ পেয়েছিলাম। দুটি কাজে বরাদ্দই ছিল প্রায় ১কোটি ৭০লাখ। একটি ব্রিজের নানা খরচ দেখিয়ে দশ লাখ করে দুটি ব্রিজে বিশ লাখ টাকা পিআইও আদায় করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা একজন পিআইও বলেন, এসব নিউজের তিনি তোয়াক্কা করে না। এর আগে বহুবার তার নামে অনিয়ম,দুর্নীতি অভিযোগ ছিল। শাস্তিস্বরূপ হিসেবে এখানে বদলী হয়ে এসেছে। যতই লিখুক তার কিছু করতে পারবে না বলে ঘাড় টেরা করে থাকেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এবিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি ইউপি মহিলা সদস্য সারথী রানী ত্রিপুরা সাথে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, মেরিনচর পাড়া সনের স্কুলের সামনে যে রাস্তা সেঈ প্রকল্পের সভাপতি আমাকে বানিয়ে পিআইও নিজেই কাজ করেছে। কাজ শেষে করে সব টাকা ওনাকে দিয়ে ফেলেছি। আমার প্রকল্পের কাজেও ১৩ শতাংশ নাম করে ৪৯ হাজার টাকা কেটে ফেলেছে পি আইও। আমি অশিক্ষিত,বুঝিনা ও জানিও না।

অভিযোগের বিষয়ে আলীকদম প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও কেএম নজরুল ইসলাম  বলেন, আপনারা যাই পারেন লিখেন তাতেই আমার যা কিছু আসে না। আমার নামে কত লিখেছে’ সে লেখার কারণে আজ বান্দরবানে আসছি।

এবিষয়ে আলীকদম নির্বাহী অফিসার মঞ্জুর আলম জানান, পিআইও কমিশন বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই আর জানিও না। জনপ্রতিনিধিরা এবিষয়ে আমাকে কোন অভিযোগ করেনি। ঠিকাদার ও কমিশন বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

কাপ্তাইয়ে টাকার অভাবে নিভতে চলেছে ১৮ মাসের মেশিংওয়াং- এর জীবন প্রদীপ” বাঁচতে চায় এক নিষ্পাপ শিশু

রাজস্থলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ; জ্বালানি তেলের তিন দোকান ও সারের ডিলারকে জরিমানা

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের কুকিমারার এক দম্পতির ঘরে জন্ম নেওয়া ১৮ মাস বয়সী শিশু মেশিংওয়াং মারমা আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। জন্মের পর থেকেই হার্টের জটিল রোগে আক্রান্ত এই শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৪ লক্ষ টাকা, যা তার দরিদ্র পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ১৮ মাস আগে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করে মেশিংওয়াং মারমা তার বাবা থুইসাচিং মারমা এবং মা চিংওয়াংউ মারমা। জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসের অধীনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার হৃদরোগ (Heart Disease) ধরা পড়ে এবং চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় নিয়ে অপারেশন করার পরামর্শ দেন। তারপরেও আরেকবার

গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম এপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়য়ে (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তারিকুল ইসলামের অধীনে তাকে দেখানো হয়। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির হার্টে অপারেশন ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ নেই এবং এটি দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

অপারেশন ও আনুষঙ্গিক ওষুধপত্রসহ চিকিৎসার জন্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু মেশিংওয়াং-এর বাবার পক্ষে এতো বিপুল অংকের টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। নিজের সন্তানকে বাঁচাতে আজ সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় বাবা-মা।
​মেশিংওয়াং-এর বাবা থুইসাচিং মারমা বলেন,
​”আমার ছোট্ট সন্তানটি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছে না। ডাক্তার বলেছেন দ্রুত অপারেশন না করলে তাকে বাঁচানো কঠিন হবে। আমাদের যা ছিল সব দিয়ে এ পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়েছি। এখন অপারেশন করার মতো সামর্থ্য আমার নেই। আপনাদের সহযোগিতাই পারে আমার সন্তানকে নতুন জীবন দিতে।”

একটি নিষ্পাপ শিশুকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও মাধ্যম:

​বিকাশ নাম্বার: 01811010997
যোগাযোগ:রুগীর বাবার থুইসাচিং মারমা 01811010997

ঠিকানা: গ্রাম: কাপ্তাই ওয়াগ্গা কুকিমারা, একটি ছোট্ট সোনামণিকে বাঁচাতে আপনার বাড়ানো একটি হাত হতে পারে তার আগামীর সুন্দর জীবনের ভরসা।

বাঘাইছড়িতে ইউটিউবের ভিডিও দেখে ফুল চাষে সাফল্য জুশি চাকমা

রাজস্থলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ; জ্বালানি তেলের তিন দোকান ও সারের ডিলারকে জরিমানা

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মগবান গ্রামের জুশি চাকমা সেই পরিশ্রমের সাথে আধুনিকতা ও সৃজনশীলতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে পাহাড়ের কৃষিতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছেন। বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষে পাহাড়ি অঞ্চল পিছিয়ে থাকলেও জুশি চাকমা প্রমাণ করেছেন, সঠিক লক্ষ্য আর আধুনিক চিন্তা থাকলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

জুশি চাকমার এই উদ্যোগ কেবল শখের বশবর্তী নয়, বরং তা ছিল প্রখর বাস্তববোধের বহিঃপ্রকাশ। দূর থেকে আসা ফুলের সতেজতা হারানো এবং অতিরিক্ত পরিবহন খরচের সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়ে তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন একজন সফল ফুল চাষি। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ইউটিউব দেখে চাষের কলাকৌশল রপ্ত করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম “রাজন্যা ফ্লাওয়ার্স গার্ডেন অব বাঘাইছড়ি”-এর মাধ্যমে বাজারজাতকরণ তার আধুনিক মননশীলতার পরিচয় দেয়।

মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু করা এই লড়াইয়ে তিনি ইতোমধ্যে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। তিন পার্বত্য জেলাজুড়ে নিজের উৎপাদিত ফুল ছড়িয়ে দেওয়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখছেন, তা পাহাড়ি নারীদের স্বনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রতিকূল ভৌগোলিক অবস্থান সত্ত্বেও জুশি চাকমার এই বাণিজ্যিক পদযাত্রা পাহাড়ের নারীদের পরিশ্রমী ও উদ্যমী হওয়ার নতুন এক অনুপ্রেরণা।

জুশি চাকমা বলেন, সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা পেলে এই নারী উদ্যোক্তার হাত ধরেই পাহাড়ের কৃষি অর্থনীতিতে এক রঙিন বিপ্লব সাধিত হবে। তার এই সাহসী পথচলা প্রমাণ করে যে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে পাহাড়ের নারীরা আগামীর ডিজিটাল ও আধুনিক কৃষি অর্থনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

×