শিরোনাম:

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন” স্লোগানে বাঙ্গালহালিয়ায় স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ শুরু

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন” স্লোগানে বাঙ্গালহালিয়ায় স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ শুরু

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন এই সচেতনতামূলক স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা নিজ হাতে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মাঝে এই স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ করেন।

প্রথম পর্যায়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৮২টি পরিবার এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪১টি পরিবারকে হোল্ডিং স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাকি আরও ৭টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বলেন, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সকল নাগরিককে নিয়মিত কর পরিশোধ করে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা গ্রহণে এগিয়ে আসতে হবে। ”তিনি আরও বলেন, এই স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকদের তথ্য সংরক্ষণ সহজ হবে এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দ্রুত প্রদান করা সম্ভব হবে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের কর আদায় প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও আধুনিকায়নের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন।

❝কাপ্তাইয়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি, নিয়ন্ত্রণে পুলিশ❞

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন” স্লোগানে বাঙ্গালহালিয়ায় স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ শুরু

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বরইছড়ি সদর এলাকায় জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। তেলের তীব্র সংকট ও সরবরাহ বিপর্যয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকেই স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের কিলোমিটারব্যাপী দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, পর্যটক এবং পেশাজীবী চালকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বরইছড়ি সদরে অবস্থিত ‘আশা অয়েল লিমিটেডে’ সকাল থেকেই মোটরসাইকেলের উপচে পড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে এই লাইন দীর্ঘ হয়ে প্রধান সড়কের একাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। কাপ্তাই একটি অন্যতম পর্যটন এলাকা হওয়ায় বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা পর্যটকরা তেলের অভাবে মাঝপথে আটকে পড়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। ​সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা চালকরা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম মোটরসাইকেল হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্থবির হয়ে পড়েছে।

একজন ভুক্তভোগী চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”আমরা দিন আনি দিন খাই। তেলের জন্য সকাল থেকে বসে আছি, কাজ নেই। জরুরি কাজে যারা যেতে চাচ্ছেন তাদেরও নিতে পারছি না। তেল পাব কি না তাও জানি না।” স্টেশনে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে কাপ্তাই থানা পুলিশের একটি টিমকে শুরু থেকেই তৎপর দেখা যায়। সারিবদ্ধভাবে যানবাহন দাঁড় করানো এবং লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ছাড়াই যাতে তেল বিক্রয় কার্যক্রম চলে, সেজন্য পুলিশের এই তদারকিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ এই একটি স্টেশনে ভিড় করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকা অথবা সরবরাহ ব্যবস্থায় ধীরগতিকেই এই সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত বক্তব্য পাওয়া না গেলেও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে ঠিক কখন পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস মেলেনি। দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে পর্যটন ও জনজীবন সচল করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মানিকছড়িতে আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন” স্লোগানে বাঙ্গালহালিয়ায় স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ শুরু

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি ঐতিহ্যবাহী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তিনটহরী যুব স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজনে মরহুম আবদুল জব্বার মেম্বার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) বিকেলে দিকে রানী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুই শক্তিশালী দল ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে হাইসাব এন্টারপ্রাইজ ও রাজপাড়া মৈত্রী যুব সংঘ দল। খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন দলের গোল করতে পারিনি। শেষে ট্রাইবেকারে মাধ্যমে ৩-১ গোলের ব্যবধানে রাজপাড়া মৈত্রী যুব সংঘকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে হাইসাব এন্টারপ্রাইজ।

উক্ত জমকালো ফাইনাল ফুটবল খেলায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ির আসনে সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। কামাল উদ্দিন দীপ্ত সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ইসমাইল সামস্ আজিজি, পিএসসি, জি অধিনায়ক, ২০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি সিন্দকছড়ি জোন, খাগড়াছড়ি জেলা  বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিনাত বীথি, মানিকছড়ি সাব-জোন সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর আসিফ মহিউদ্দিন, মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব মীর হোসেন, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ এনামুল হক এনাম, জেলা যুবদলে সভাপতি মোঃ সবুজসহ উপজেলা ও জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন অতিথিরা। সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ন্যান্সি ও রাজিবসহ আরও বেশ কয়েকজন তারকা শিল্পী উপস্থিত থেকে দর্শকদের মাতিয়ে তুলেন।

সারা দেশের মতো দিঘীনালায় চলছে জ্বালানি তেলের সংকট

নিয়মিত কর দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিন” স্লোগানে বাঙ্গালহালিয়ায় স্মার্ট হোল্ডিং কার্ড বিতরণ শুরু

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা (খাগড়াছড়ি) :

খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলায় সারাদেশের মতো চলছে তেলের তীব্র সংকট। দিঘীনালা উপজেলার বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে দেখা যায় অধিকাংশ তেলের পাম্প বন্ধ রয়েছে। কিছু কিছু পাম্প তেল দিলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম।

বিভিন্ন পাম্প ঘুরে জানা গেছে, রাতের আঁধারে অধিক টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে তেল বিত্রুয় হচ্ছে। এতে করে তেলের আরো তীব্র সংকট দেখা দিচ্ছে। পাম্প গুলোতে তেল পাওয়া না গেলেও অধিক টাকার বিনিময়ে খুচরা দোকানগুলোতে তেল পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে সরকার নির্ধারিত অকটেন ১২০ টাকা লিটার ধার্য করা হয়েছে। সেখানে প্রতি লিটার তেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বিনিময়ে এইসব দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরধারির ফলে গতকাল রাতে উপজেলার বাবুছড়া বাজারে সেনাবাহিনীর কর্তৃক দুই ব্যবসায়ীকে তেলসহ আটক করে। তবে তাদেরকে শর্তস্বাপেক্ষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গ্রাহকরা অভিযোগ করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু পাম্পে তেল দেওয়ার নামে পাম্পগুলো দিনে দুই এক ঘন্টা চালু রেখে কিছু গ্রাহকদের তেল দিয়ে আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমন অবস্থায় জনমানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থায় চলতে থাকলে দেশের জ্বালানি খাত একেবারে অচল হয়ে পড়বে। জ্বালানি খাত অচল হওয়া মানে দেশের অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি হওয়া। এমন অবস্থায় সরকারকে আরো কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে

×