শিরোনাম:

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

 

​কাপ্তাই প্রতিনিধি :

কাপ্তাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ও রাঙ্গামাটির কাপ্তাই সীমান্ত সংলগ্ন চন্দ্রঘোনা রেশম বাগান এলাকায় অবস্থিত একটি বৌদ্ধ বিহারে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ মার্চ দিবাগত রাতে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানাধীন ২নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ‘জঙ্গল দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর রেশম বাগান থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে’ এই চুরির ঘটনা ঘটে।

চোরচক্র বিহারের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন আকারের মোট ১২টি মূল্যবান পিতলের বুদ্ধমূর্তি নিয়ে গেছে, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

​বিহার পরিচালনা কমিটির দেওয়া তথ্যমতে, গত ১৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিহারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যবসায়ী শুইহ্লাপ্রু মারমা বিহারের দরজায় তালা দিয়ে বাড়িতে যান। পরদিন ১৮ মার্চ সকাল ৭টার দিকে তিনি বিহারে এসে দেখেন সদর দরজার তালা ভাঙা। ভেতরে প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান ৪, ৫ ও ৬ ইঞ্চি উচ্চতার ১২টি পিতলের মূর্তি উধাও। তবে বড় আকারের পিতল ও সিমেন্টের মূর্তিগুলো অক্ষত ছিল।

এ ঘটনায় শুইহ্লাপ্রু মারমা (৫৯) বাদী হয়ে গত ১৮ মার্চ রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে একই এলাকার কেসুনো মার্মা (৫০) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, বিহারের সিসিটিভি ফুটেজে দুই ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে কৌশলে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত কেসুনো মারমা কোনো নির্দিষ্ট পেশা নেই এবং দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিহার পরিচালনা কমিটির সাথে বিরোধে লিপ্ত ছিলেন। চুরির ঘটনার কয়েক দিন আগে থেকেই তাকে ও তার সহযোগীদের বিহারের আশেপাশে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

​পবিত্র উপাসনালয়ে এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিহারে আসা পুণ্যার্থী ও এলাকাবাসী  জানান,”আমরা দ্রুত চুরি হওয়া পবিত্র বুদ্ধমূর্তিগুলো উদ্ধার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”​চোর শনাক্ত ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার কারণে অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদী পক্ষ।

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও বাদীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত কেসুনো মারমা ও তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

পাহাড় থেকে সমতল, অসহায় মানুষের পাশে মামুনী চাকমা

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

আর্থিক অনটনের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে মামুনী’র মহৎ উদ্যোগ, তারপরও থেমে নেই তার কাজের গতি, সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে। পাহাড়ে ঝরে পড়া শিশু ও গরীব অসহায় মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদেরকে নিয়ে মানবিক কাজে নিয়োজিত মামুনী চাকমা।

বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া (মূলধারার শিক্ষা বা সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত) এবং আর্থ-সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নিজ অর্থায়নে নিরলস ভাবে কাজ করেই চলেছেন। ভবিষ্যতে এমন মহৎ কাজ করতে চান মামুনী চাকমা।
অসহায় মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের পাশে থেকে এগিয়ে নিতে চান আলোকিত জীবনের পথ।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা (১১ বছর) সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়িদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান এবং শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। তাছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া মানবিক কাজের একটি বড় অংশ।

নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থান পাহাড়ের নারীদের সেলাই, বুনন, কম্পিউটার, ফলজ বনজ ঔষধি গাছ, ক্ষুদ্র ঋণ এবং হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করার কাজ থেমে গেছে আর্থিক সংকটের কারণে, এই ধরনের মানবিক কাজগুলো রাঙ্গামাটি শহরে ১০টি উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে চাই এবং দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নিতে পাহাড়ে অসহায় দরিদ্র মেধাবী ছাত্র ছাত্রী ও বেকার যুবক যুবতীদের নিয়ে সেলাই, কম্পিউটার,সেবা মূলক কাজ, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ ইত্যাদি উন্নয়নের জন্য সাহায্য সহায়তা পেতে পার্বত্য মন্ত্রী’র কাছে মামুনী চাকমার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

বিলাইছড়িতে মোটর সাইকেল মালিক সমিতির সিরিয়াল ও আইনশৃঙ্খলা সভা 

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি মোটর সাইকেল মালিক সমবায় সমিতির এর উদ্যোগে মোটর সাইকেল সমিতির সিরিয়াল ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ১১ টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান এঁর প্রতিনিধি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ডা.) গোলাম আজম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ফকির, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাজরুরুল হক এর প্রতিনিধি এস আই তানভীর আলম, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, সাংবাদিক সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। সভায় সভাপতিত্ব করেন মোটর সাইকেল মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি অতীশ দীপংকর চাকমা। এছাড়াও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিমলী হেডম্যান, মেম্বার জ্যোতিময় চাকমা, কার্বারী কল্পরঞ্জন চাকমা। আরো  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমিতির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন ধনমুনি চাকমা।

সভায় লাইন্সম্যান নিয়োগের মাধ্যমে সিরিয়ালী ভাবে গাড়ী চালানো। এছাড়াও হেলমেট দিয়ে গাড়ি চালানো, বেপরোয়া গাড়ি না চালানো, নেশাগ্রস্থ অবস্থায় গাড়ি না চালানো, বাজার দিনে বাজারে ভিতরে গাড়ি না ঢুকানো, নতুন ভাড়া নির্ধারণ সহ ইত্যাদি বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।

ভোগান্তিতে আটকে যাওয়া পর্যটকদের উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী

❝থেরওয়াদা বৌদ্ধ বিহারে দুর্ধর্ষ চুরি❞ ১২টি বুদ্ধমূর্তি নিয়ে চম্পট থানায় অভিযোগ

 

বিশেষ প্রতিবেদক, আক্তার হোসেন, খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছড়ি সাজেক সড়কের দীঘিনালা পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্থ করণের কাজ চলমান রয়েছে। কাজের ধীরগতি হওয়ায় বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ভোগান্তিতে পড়ছেন সড়কে যানবাহন।

আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকপরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের দীঘিনালা সেনা জোনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে নিজ হাতে আটকে পড়া যানবাহনগুলো ঠেলে ও সরিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করছেন। তাদের এই নিরলস প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং জনদুর্ভোগ কমে যায়।

স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এই মানবিক সহায়তা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানিয়েছে।

×