| ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দীঘিনালার তারাবনিয়া “নিউজিল্যান্ড”

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দীঘিনালার তারাবনিয়া “নিউজিল্যান্ড”

 

​রুপম চাকমা, দিঘীনালা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা ‘তারাবনিয়া’ এলাকাটি এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সবুজ পাহাড়, বিস্তীর্ণ ঘাসের মাঠ, আঁকাবাঁকা পথ আর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে স্থানীয় ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই স্থানটি পরিচিতি লাভ করেছে “নিউজিল্যান্ড” নামে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত পর্যটক ছুটে আসছেন এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

চারদিকের সবুজ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই তারাবনিয়া এলাকাটি যেন প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সবুজ ঘাসের মাঠ আর বুক চিরে চলে যাওয়া আঁকাবাঁকা গ্রামীণ পথ প্রথম দর্শনেই যে কারও মন কেড়ে নেয়। নাগরিক কোলাহল থেকে দূরে শান্ত, স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশের কারণে দিন দিন এখানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। বিশেষ করে বিকেল হলেই তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ​

চট্টগ্রাম থেকে আসা এক পর্যটক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ​”আমরা সাজেক যাওয়ার পথে স্থানীয়দের মুখে এই জায়গার কথা শুনে দেখতে এলাম। সত্যি বলতে, নাম যেমন ‘নিউজিল্যান্ড’, এর সৌন্দর্যও ঠিক তেমনই চোখ জুড়ানো। এখানকার শান্ত পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে, পাশাপাশি এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখনো একদম অক্ষুণ্ণ রয়েছে। ​

স্থানীয় খুদ্র ব্যবসায়ী প্রিয়াংকা চাকমা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কল্যাণে ইদানীং এই তারাবনিয়া এলাকার সৌন্দর্য দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে খাগড়াছড়ি বা সাজেক ঘুরতে আসা পর্যটকদের একটি বড় অংশ এখন।

চট্টগ্রামে আইএসপি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা চাঁদাবাজি ও নিরাপত্তাহীনতা সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দীঘিনালার তারাবনিয়া “নিউজিল্যান্ড”

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

দেশের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)২৬ খ্রি: চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় সময় সংবাদ সম্মেলনে ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গতকাল সোমবার ১৩ জুলাই চট্টগ্রামের ডিজিটাল ডট নেট (DAN)-এর কার্যালয়ে চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয় বরং সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আইএসপি মালিক ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি, টেলিফোনে হুমকি প্রদান, চাপ সৃষ্টি এবং দাবি পূরণ না হলে হামলা বা হয়রানির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমানে সময়ে ইন্টারনেট দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্প-কারখানা, ব্যাংকিং, ই-কমার্স, সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার অন্যতম মৌলিক অবকাঠামো। আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নিরাপদ পরিবেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব শুধু একটি শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ডিজিটাল ডট নেট (DDN)-এর কার্যালয়ে সংঘটিত হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সকল আইএসপি প্রতিষ্ঠান, তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইএসপি খাতের বিরুদ্ধে সংঘটিত চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভাঙচুর ও হয়রানির ঘটনাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বক্তরা আরও বলেন, আমাদের ব্যবসায় নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত থাকে এবং ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে দেশের ইন্টারনেট সেবা সচল রাখা ভবিষ্যতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। ফলে ইন্টারনেট সেবা খাতকে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হতে পারে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা, স্মার্ট অবকাঠামো নির্মাণ এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে আইএসপি শিল্পের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজিব শাহরিয়ার রুবেল, নিয়াজ মোর্শেদ, ফরহান ফুয়াদ, ওমর ফারুক মুন্না, মিরাজুল ফয়েজ, আনিসুজ্জামান, রাশেদুজ্জামান সংগঠন সদস্যরা।

চসিককে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করা হবে ——- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দীঘিনালার তারাবনিয়া “নিউজিল্যান্ড”

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে (চসিক) ঋণমুক্ত, স্বনির্ভর ও আর্থিকভাবে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নিজস্ব আয় বৃদ্ধি ছাড়া একটি আধুনিক ও টেকসই নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই রাজস্ব আদায়ে গতি এনে চসিককে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে, যা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) লালদীঘিস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পাবলিক লাইব্রেরি ভবনে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫৫৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১০০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এটি প্রমাণ করে যে, আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন সম্ভব। তবে আমি এখানেই থেমে থাকতে চাই না। আমার লক্ষ্য আগামী কয়েক বছরের মধ্যে চসিকের বার্ষিক রাজস্ব এক হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা।

তিনি বলেন, যেদিন আমরা এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে পারব, সেদিনই মনে করব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জন্য স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করে যেতে পেরেছি। তখন চসিক সত্যিকার অর্থেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হবে। নগরের রাস্তা, ড্রেন, খাল, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য নাগরিক সেবার জন্য প্রতিনিয়ত মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নেই অধিকাংশ উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে নগরীর বহু সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নালা-নর্দমা ও খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এসব অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। তাই আমাদের রাজস্ব আয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, রাজস্ব বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হচ্ছে হোল্ডিং ট্যাক্স। আবাসিক খাতে নাগরিকদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কাজ করা হবে, তবে বাণিজ্যিক হোল্ডিং থেকে যথাযথ রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব আবাসিক হোল্ডিং এখনও করের আওতায় আসেনি কিংবা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রতিটি সার্কেল ভিত্তিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক হোল্ডিংয়ের হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। কোথায় কত বকেয়া রয়েছে তা চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ আরও বাড়ানো সম্ভব।

মেয়র বলেন, গৃহকর, ট্রেড লাইসেন্স, ভূমি হস্তান্তর ফি, এস্টেট ব্যবস্থাপনাসহ প্রতিটি রাজস্ব খাতে আদায় বৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে চসিককে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম একটি সম্ভাবনাময় মহানগর। এই নগরের নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে আমাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একটি স্বনির্ভর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনই নাগরিকদের দ্রুত, টেকসই ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারবে।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান সানিসহ রাজস্ব বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের মতামত তুলে ধরেন৷ সভায় রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা বিভিন্ন জোনের রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি, বকেয়া আদায়ের অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬০ জনের পাশে ৪১ বিজিবি

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দীঘিনালার তারাবনিয়া “নিউজিল্যান্ড”

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের কবলে পড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়া ২৬০ জন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। ​সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও পাহাড় ধসের ফলে কাপ্তাই ইউনিয়নের লগ গেইট, কাপ্তাই নতুন বাজার, সাদেক মাষ্টার টিলা এবং বিএফআইডিসি পাড়া এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপাকে পড়েন। বর্তমানে তারা কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।​

ওয়াগ্গাছড়া জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস্-এর তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ৪১ বিজিবির ‘সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এসব অসহায় মানুষের মাঝে দুপুরে খাবারের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। খাবার বিতরণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ওয়াগ্গাছড়া জোনের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাষ্টার সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম।

এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিজিবি সবসময় দেশের সাধারণ মানুষের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে

×