| ১০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

দিঘীনালায় জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

দিঘীনালায় জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির দিঘীনালায় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার ১০ জুন সকালে দিঘীনালা জোন সদর প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিশেষ চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চোখ পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। এছাড়া রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো: আল- আমিন এসইউপি, পিএসসি। সাব-জোন কমান্ডার মেজর তৌকির আহমেদ, এসইউপি, পিএসসি এবং জোন আ্যডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল আজমী।

যারা সহায়তা পেয়েছেন তারা হলেন ছোট মেরুং বাজার দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা এবং দারুল উলুম শাহিদা সুমাইয়া বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানা-এর শিক্ষার্থী ও এতিমদের জন্য চাল, আটা, চিনি, তেল ও ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। খাদ্য সহায়তা পেয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভোগা মোঃ বাচ্চু মিয়া এবং ক্রিস ত্রিপুরা-র চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে অন্তনিতা চাকমা, বাকী রাম ত্রিপুরা, মোছাঃ জাহেরা খাতুন, গৌরিকা বালা চাকমা, ফুলেকা চাকমা এবং মার্জিনা বেগমের বসতঘর পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।

এসময় জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: আল- আমিন বলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং দুর্গত মানুষের সহায়তায় সেনাবাহিনী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তিনি আর বলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। যেকোনো দুর্যোগ, সংকট কিংবা মানবিক প্রয়োজনে আমরা জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

চট্টগ্রামে দুর্নীতির অভিযোগ সরাসরি জানাতে সিএমএম এর নতুন ব্যবস্থা চালু

দিঘীনালায় জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

সিএমএম’র এজলাস কক্ষের বাইরে সহজে দৃশ্যমান স্থানে একটি সিলগালা করা অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ বা তথ্য সিএমএমের অফিসিয়াল ই-মেইলেও পাটানো যাবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, আদালতের পরোয়ানা প্রেরণ বা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ঘুষ দাবি কিংবা দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ এখন থেকে সরাসরি চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সিএমএম) কাছে জানানো যাবে। এ লক্ষ্যে একটি ই-মেইল ঠিকানা চালু এবং সিএমএম কার্যালয়ের বাইরে একটি সুরক্ষিত অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারি সেবায় জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ‘সিএমএম, চট্টগ্রাম সমীপে’ নামে এ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা চালু করে সোমবার একটি প্রশাসনিক আদেশ জারি করেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার।

আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানিমূলক আচরণ প্রতিরোধে ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’ হিসেবে তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, সিএমএমের এজলাস কক্ষের বাইরে সহজে দৃশ্যমান স্থানে একটি সিলগালা করা অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ বা তথ্য সিএমএমের অফিসিয়াল ই-মেইলের পাশাপাশি cmmchattogram.shomipe@gmail.com ঠিকানায় পাঠানো যাবে। চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার যে কোনো নাগরিক, বিচারপ্রার্থী, সরকারি সেবাগ্রহীতা বা আইনজীবী লিখিত অভিযোগ, তথ্য ও প্রমাণাদি অভিযোগ বক্স কিংবা ই-মেইলে জমা দিতে পারবেন।

যেসব বিষয়ে অভিযোগ করা যাবে প্রশাসনিক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট বা অন্য কোনো সরকারি সেবা গ্রহণে ঘুষ দাবি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা, আদালতের বিভিন্ন শাখায় ফাইল প্রক্রিয়াকরণে অযৌক্তিক বিলম্ব বা অনৈতিক দাবি, জামিন ও রিলিজ অর্ডার প্রক্রিয়ায় হয়রানি, মালখানা থেকে আলামত বা যানবাহন বুঝে নিতে অনৈতিক দাবি এবং নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্নকারী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিযোগ জানানো যাবে। লিখিত অভিযোগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিল, ছবি, অডিও-ভিডিও, ইলেকট্রনিক তথ্য বা অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

গোপনীয়তা রক্ষার আশ্বাস আদেশে বলা হয়েছে, অভিযোগ বক্সের চাবি সিএমএমের নিজস্ব হেফাজতে থাকবে। অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার পরিচয় ও তথ্যের গোপনীয়তা আইন ও প্রশাসনিক সীমার মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংরক্ষণ করা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হবে প্রাপ্ত অভিযোগের প্রকৃতি, গুরুত্ব ও আইনগত গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় সিএমএম সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি পাঠাতে পারবেন। প্রয়োজন হলে প্রাথমিক অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ কিংবা পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা অন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অবহিত করতে পারবেন।

তবে এ ব্যবস্থাকে কোনো নিয়মিত মামলা দায়েরের বিকল্প হিসেবে গণ্য করা হবে না এবং অভিযোগ পাওয়া মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা রুজু হবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।একই সঙ্গে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ বা অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

যেসব বিষয় এ ব্যবস্থার আওতার বাইরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, উত্তরাধিকার, পারিবারিক বা বৈবাহিক বিরোধ, দেনা-পাওনা, চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ, থানায় মামলা বা আদালতে নালিশি মামলা করার সুযোগ রয়েছে এমন সাধারণ ফৌজদারি অপরাধ, বিচারাধীন মামলার ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে আবেদন এবং আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশনযোগ্য বিষয়গুলো এ অভিযোগ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না।

এ প্রশাসনিক আদেশের অনুলিপি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সিএমপির অধীন সব থানা, গোয়েন্দা শাখা ও ভেরিফিকেশন শাখাকে আদেশটি যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রামগড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনকালে আটক ৯

দিঘীনালায় জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনকালে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর শহরের সিনেমাহল এলাকার গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ছাদ এবং গর্জনতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওইসব এলাকায় গভীর রাতে মাদকের আসর বসিয়ে মাদক সেবন ও মাতলামির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রামগড় থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সিনেমাহল এলাকার গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ছাদ থেকে ৬ জন এবং গর্জনতলী এলাকা থেকে আরও ৩ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন— নুর মোহাম্মদ (৩২), পিতা- নুর নবী, গ্রাম- পূর্ব সিলোনিয়া, ছনুয়া বাজার, থানা- ফেনী সদর, জেলা- ফেনী; চন্দন দেবনাথ (৩২), পিতা- মানিক চন্দ্র নাথ, গ্রাম- উত্তর গর্জনতলী; কৃষ্ণ চন্দ্র নাথ (৩৪), পিতা- মৃনাল চন্দ্র নাথ, গ্রাম- উত্তর গর্জনতলী; আকাশ দেবনাথ (২৭), পিতা- নিখিল দেবনাথ, গ্রাম- উত্তর গর্জনতলী, থানা- রামগড়, জেলা- খাগড়াছড়ি; মুন্না চন্দ্র নাথ (২৮), পিতা- শ্রীদাম নাথ, গ্রাম- মাস্টারপাড়া, আবুতরা, থানা- মীরসরাই, জেলা- চট্টগ্রাম; ছোটন বিশ্বাস (৩৫), পিতা- দোলন বিশ্বাস, সাং- পশ্চিম দলই, কবিরহাট, থানা- হাটহাজারী, জেলা- চট্টগ্রাম; মো. আলা উদ্দিন (২৯), পিতা- আবুল হোসেন, মাতা- কামরুন নাহার; মো. আবুল কাশেম (২৪), পিতা- মাহবুবুল হক, মাতা- আমেনা বেগম এবং মিঠুন নন্দি (২৫), পিতা- হারাধন নন্দি, মাতা-আবা বালা নন্দি, সাং- শ্মশানটিলা, ১নং ওয়ার্ড, রামগড়।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী-২০২০) এর ৩৬(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে রামগড় থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আলীকদমে কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

দিঘীনালায় জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে উপজেলায় কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি,পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে দিনব্যাপী ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়।

‎‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আলীকদম উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর আলমের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো.সোহেল রানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত উপ- পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা সুমন কুমার বসাক।

‎অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তুলে ধরেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা।

‎বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান,বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো.রিটন সহ সাংবাদিক,গণমাণ্য ব্যাক্তিবর্গ, কৃষক- কৃষাণীসহ প্রমুখ।  অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষক-কৃষাণী ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা অংশ নেন।

‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রদান দেশ। এদেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি সচেতনতা, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কৃষকদের আরও সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারী সফল কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে অর্জিত তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সফলতার গল্প অন্যান্যদের মাঝে তুলে ধরেন। পাশাপাশি টেকসই কৃষি উন্নয়ন, বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করার বিষয়ে নানামুখী আলোচনা করা হয়।

×