শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

অধিকার। ন্যায়বিচার। পদক্ষেপঃ সকল নারী ও মেয়ে শিশুর জন্য – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, জাতীয় মহিলা সংস্থার আয়োজনে  এবং দাতাগোষ্ঠীর সহায়তায়  র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা কনফারেন্স রুমে এক সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মান্নান, সহকারী মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ বাবুল আক্তার, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা।

সঞ্চালনা করেন জাতীয় মহিলা সংস্থা’র সাধন তঞ্চঙ্গ্যা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি’র পরিদর্শক অনুপ বড়ুয়া, ইউএনও অফিসের সজীব চাকমা, প্রশিক্ষক ভিক্টোরিয়া চাকমা, স্বাস্থ্য কর্মী রেনু চাকমা, কনিকা চাকমা ও প্রীতি তঞ্চঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের নারী নেতৃবৃন্দ ও প্রশিক্ষণার্থী।

Ecosystems Restoration and Resilient Development in CHT (ERRD-CHT)Project (A project of Mo CHTA and UNDP). Women and Girl Empowerment through Inclusive Education (WGEIE) in CHT-প্রকল্পের আওতায় Global Affairs Canada (GAC) এর সহায়তায়ও দিবসটি পালিত হয়েছে।

মূলত: একীভূত শিক্ষার মাধ্যমে নারী কন্যা শিশুর ক্ষমতায় এবং নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিকরা,আত্নবিশ্বাস, অর্থনৈতি ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করা মূল লক্ষ্য।

বাঘাইছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

 

আনোয়ার হোসেন, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকাল ৪টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়ন ফুটবল একাডেমি এবং বাঘাইছড়ি ফুটবল একাডেমি। খেলাটি উপভোগ করতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা পুরো স্টেডিয়ামকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (পিএসসি), অধিনায়ক, মারিশ্যা জোন, ২৭ বিজিবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিওএম. শাহিনুর রহমান, উপ-অধিনায়ক, মারিশ্যা জোন, ২৭ বিজিবি এবং বিজিবি এমএস মোঃ হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক (কোয়ার্টার মাস্টার), মারিশ্যা জোন, ২৭ বিজিবি।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ খাজা, রাঙ্গামাটি জেলা কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আশিকুর রহমান মানিক। পুরো আয়োজনটি পরিচালনা করে বাঘাইছড়ি ফুটবল একাডেমি। খেলা শুরুর আগে অতিথিরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অতিথিরা বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ, শৃঙ্খল জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ম্যাচে মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়ন ফুটবল একাডেমি বিজয়ী হয়। খেলা শেষে উভয় দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বেতবুনিয়া বেণুবন উত্তমানন্দ বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যে দানকার্য সম্পাদন

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল)২৬খ্রিঃ রাঙ্গামাটি সদরস্থ কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়ন’র বেণুবন উত্তমানন্দ বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে অষ্টপরিষ্কার সংঘদান ও জ্ঞাতিভোজন অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।
বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথের’র শ্রদ্ধেয় পিতা কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান প্রয়াত অনন্ত বড়ুয়া (ধর্মবংশ)-এর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং মাতা প্রয়াত শান্তি বালা বড়ুয়ার তিথি উপলক্ষে পুত্র-কন্যা ও পরিবারের সদস্যদের আয়োজনে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়।

পশ্চিম সোনাইছড়ি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত নাইন্দা বাসা মহাথের’র সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধ্যম মনাইপাড়া শান্তিদ্বয় বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত সুমেধানন্দ মহাথের।

সদ্ধর্মদেশনা প্রদান করেন পূর্ব মনাইপাড়া শান্তি নিকেতন বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত নাইন্দাচারা মহাথের, শীলছড়ি অভয় অরণ্য ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ ভদন্ত সাধনানন্দ মহাথের, বেণুবন সোনাইছড়ি সব্ব মঙ্গল বুদ্ধ ধাতু জাদী বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত রাহুলাপায়া থের,বেতবুনিয়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ভদন্ত উত্তরা থের এবং সোনাইছড়ি ত্রিরত্ন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত প্রজ্ঞাদ্বীপ থের সহ প্রধান পুণ্যার্থী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. বাদল বরণ বড়ুয়া এবং সভাপতি মাষ্টার প্রকাশ বড়ুয়া, মাষ্টার পংকজ কুসুম বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বেতবুনিয়া, মনাইপাড়া ও বেনুবণ এলাকার দায়িক-দায়িকা, বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের প্রতিনিধিসহ প্রয়াত অনন্ত বড়ুয়া (ধর্মবংশ)-এর পরিবারবর্গ একত্রিত হয়ে প্রায় দুই শতাধিক পুণ্যার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বেণুবন উত্তমানন্দ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত মাহাথের

গালেংঙ্গ্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টয়লেট সংকট: চরম ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

 

মথি ত্রিপুরা , রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪নং গালেংঙ্গ্যা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত “গালেংঙ্গ্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এ দীর্ঘদিন ধরে অচল ও জরাজীর্ণ ল্যাট্রিনের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

গত (২০ এপ্রিল ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের একমাত্র ল্যাট্রিনটি বহু বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দেয়ালের রং উঠে গিয়ে কাঠামোটি ভঙ্গুর অবস্থায় পরিণত হয়েছে। চারপাশে ঝোপঝাড় ও জঙ্গল গড়ে ওঠায় এটি এখন প্রায় পরিত্যক্ত স্থাপনায় রূপ নিয়েছে।

বিদ্যালয়ে ওয়াশরুমের অভাবও শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য এটি মারাত্মক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যা বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর বিদ্যালয়ের জন্য সরকারি বরাদ্দ এলেও তার সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দাবি, বছরের পর বছর কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উটিংশেয়ে মারমার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, টয়লেট রয়েছে এবং আমি নিজেও ব্যবহার করছি। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাস্তব চিত্র তার বক্তব্যের সাথে মিলছে না।

অন্যদিকে সহকারী শিক্ষক উহাইনু মারমা বলেন, টয়লেটের অভাবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত একটি ব্যবহারযোগ্য টয়লেটের ব্যবস্থা করা হলে সবাই উপকৃত হবে।

এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে টয়লেট সংস্কার ও আধুনিক ওয়াশরুম নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

×