শিরোনাম:

রুমার পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

রুমার পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

 

মথি ত্রিপুরা; ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :

বান্দরবানে রুমা উপজেলার দুইটি পর্যটন স্পট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে উপজেলার সকল পর্যটন স্পট গুলো নয়।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টায় পর্যটন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ৩৬ বীর রুমা জোনের উপ অধিনায়ক মেজর মেহেদী সরকার এ কথা জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি বলেন, পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা পর্যালোচনা টিম গঠন করে আপাতত রুমা উপজেলায় মুনলাই পাড়া এবং বগালেক পর্যটন স্পট শীঘ্রই উন্মুক্ত করা হবে। পরে পরিস্থিতি ভালো হলে ধীরে ধীরে সকল পর্যটন স্পট গুলো খুলে দেওয়া হবে পর্যটকদের জন্য।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয়দের দাবির প্রতি বিবেচনা রেখে পর্যটন স্পটগুলো মধ্য থেকে সীমিত পরিসরে পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য দুটি পর্যটন স্পট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বগালেক হলো একটি স্বচ্ছ পানির হ্রদ যা পাহাড়ের কোল ঘেঁষে পর্যটকদের মুগ্ধ করে তার সাথে মুনলাই পাড়া একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা পরিপূর্ণ একটি গ্রাম। কিন্তু উপজেলায় সব পর্যটন স্পটে ঘুরে বেড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

টুরিস্ট গাইডের বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন, পর্যটকদের সাথে ভালো ব্যবহার করার এবং মাদক মুক্ত থাকার, দেশের আইন মেনে চলার। পর্যটকদের যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা, প্লাস্টিক না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, রুমা জোনের ৩৬ বীর ক্যাপ্টেন ইফতেখারুল কাশেম চৌধুরী, রুমা থানা এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিলন মারমা, রুমা সাঙ্গু সরকারি কলেজের প্রভাষক সুইপ্রুচিং মারমা, রেমাক্রি প্রাংসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিরা বম, রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা, রুমা অগ্রবংশ অনাথালয়ের পরিচালক উঃ নাইন্দিয়া ভিক্ষু, বম সোসিয়াল কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (বিএসসি-বি) সাবেক সভাপতি লালদুহসাং বম, রুমা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি, রুমা থানা (ওসি)র প্রতিনিধি, সাংবাদিক, টুরিস্ট গাইড এর প্রতিনিধি, জিপ গাড়ি মালিক সমিতির প্রতিনিধি, মোটরসাইকেল সমিতির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রিসোর্টের প্রতিনিধি ও পাড়া প্রধান কারবারি সহ স্থানীয় বাসিন্দারা ও উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

কাপ্তাইয়ে ‘সুরের ধারা’র মতবিনিময় সভা ; ১৫ দিনের মধ্যে আসছে পূর্ণাঙ্গ কমিটি

রুমার পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

‘সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি প্রাণে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কাপ্তাই সুরের ধারা পরিবার’-এর এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে চন্দ্রঘোনার ঐতিহ্যবাহী চম্পাঁকুড়ি খেলাঘর আসর প্রাঙ্গণে এ সভা আয়োজিত হয়।

​সংগঠনের সভাপতি প্রদীপ মল্লিক-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খোদেজা আক্তার ভাষা-এর সঞ্চালনায় সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই সুরের ধারা পরিবারের উপদেষ্টা সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা অমল বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা, কাপ্তাই শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ন সম্পাদক আনিসুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগম, কাপ্তাইয়ের সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম লাভলু, সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ আলম, কাপ্তাই আবৃত্তি একাডেমির সভাপতি সোহেল চৌধুরী খোকন, বাংলাদেশ মারমা মহিলা ঐক্য পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি নুম্যাইচিং মারমা।

সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক অর্ণব মল্লিক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অর্থ সম্পাদক জ্যাকলিন তঞ্চঙ্গ্যা সদস্য সুমনা তঞ্চঙ্গ্যা, ওয়েপ্রুচিং মারমা এবং অভিভাবক প্রতিনিধি পাপরি তঞ্চঙ্গ্যা, অনন্ত লাল তঞ্চঙ্গ্যা, রাস মনি ধর, দীপ্তি চাকমা ও শিক্ষক চন্দ্রসেন তঞ্চঙ্গ্যাসহ আরও অনেকে।

​মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ‘কাপ্তাই সুরের ধারা’ স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে ‘ধ্রুব পরিষদ বাংলাদেশ মিউজিক শিক্ষা বোর্ড’ কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংগঠনটি যে সংগীত পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে, তা কাপ্তাইয়ের দুর্গম ও প্রান্তিক অঞ্চলের প্রতিভাবান শিল্পীদের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। বক্তারা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে অভিভাবক ও স্থানীয় সুধী সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

​সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সকলের সম্মতিক্রমে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, উপদেষ্টা পরিষদ ও অভিভাবক প্রতিনিধিসহ প্রায় ৫০ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

​পরিশেষে, বক্তারা কাপ্তাইয়ের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষায় ‘সুরের ধারা’ পরিবারের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বছরের পর বছর অকেজো সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

রুমার পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের দুর্গম রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের পাশে দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে সরকারি একটি অ্যাম্বুলেন্স। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক থেকে দুই বছর ধরে অ্যাম্বুলেন্সটি অচল অবস্থায় পড়ে থাকলেও তা মেরামতের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে দুর্গম এলাকার রোগীদের চিকিৎসা সেবায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীদের সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য অন্তত দুটি অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স চালু রয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেশি হলে কিংবা কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে রোগী পরিবহনে সংকট তৈরি হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল আল হাসান জানান, বর্তমানে চালু থাকা অ্যাম্বুলেন্সটির টায়ার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অনেকটাই ক্ষয় হয়ে গেছে। যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্সটি সচল রাখতে মাঝে মধ্যে মেরামত করতে হয়। এখন পর্যন্ত আনুমানিক এক লাখ টাকার মতো ব্যক্তিগত ভাবে খরচ করেছি। সরকারি কোনো বাজেট না পাওয়ায় নিজের খরচে গাড়িটি গ্যারেজে নিয়ে মেরামত করতে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অকেজো পড়ে থাকা পুরোনো অ্যাম্বুলেন্সটি চালুর বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়েছিল। তবে এখনো কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।

এদিকে হাসপাতালের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা প্রহরী ও বার্বুচি পদ খালি থাকায় হাসপাতালের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল আল হাসান ব্যক্তিগত খরচে দীর্ঘদিন ধরে একজন বাবুর্চির ব্যয় বহন করছেন বলেও জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অকেজো অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে চালুর দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালের শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা। এলাকাবাসীর মতে, ঝাড়ুদার, পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল বাড়ানো হলে দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে এক নলা বন্দুক উদ্ধার।

রুমার পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা উপজেলার বাইশারী এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি এক নলা গাদা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন ২নং বাইশারী ইউনিয়নের ১২নং রাবার বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই সতেজ বড়ুয়া, এএসআই রনজিৎ চৌধুরী ও সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ বাইশারীর ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল আলীমের রাবার ফ্যাক্টরি থেকে প্রায় ১০০ গজ পূর্ব দিকে একটি ঝিরির মধ্যে গাছের পাতার নিচে লুকানো অবস্থায় একটি একনলা গাদা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

×