শিরোনাম:

বর্ষাকালে জনসচেতনতা জরুরি, অসতর্কতায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

বর্ষাকালে জনসচেতনতা জরুরি, অসতর্কতায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতুচক্রের এই বৈচিত্র্যের মধ্যে বর্ষাকাল যেমন প্রকৃতিকে সজীব, সবুজ ও প্রাণবন্ত করে তোলে, তেমনি সামান্য অসতর্কতা ও অবহেলায় ডেকে আনে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসজুড়ে চলা এ মৌসুমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ। ভারী বৃষ্টি, দমকা হাওয়া ও ঝড়ো আবহাওয়ায় চলাচল করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়। রাস্তায় পানি জমে থাকলে খোলা ম্যানহোল, ড্রেন বা গর্ত চোখে না পড়ায় যে কোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন—যাদের মধ্যে কৃষক, শ্রমজীবী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার সাধারণ মানুষও রয়েছেন।

এ সময় পানিতে ডুবে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি, ছেঁড়া তার বা ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অসতর্কভাবে এসবের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। পাশাপাশি নদী, খাল-বিল ও পাহাড়ি ছড়াগুলো বর্ষায় ভয়াবহ রূপ নেয়; হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সেসব এলাকায় চলাচলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। ভাঙাচোরা সেতু ও দুর্বল সড়ক ব্যবহার থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বজ্রপাত বর্ষাকালের অন্যতম নীরব ঘাতক হিসেবে চিহ্নিত। খোলা মাঠ, নদীর তীর কিংবা উঁচু স্থানে অবস্থান বজ্রপাতের সময় অত্যন্ত বিপজ্জনক। এ সময় বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। নিরাপদ থাকার জন্য ঘরের ভেতরে অবস্থান করা, দরজা-জানালা বন্ধ রাখা এবং প্রয়োজন ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করা, জরুরি যোগাযোগ নম্বর হাতের কাছে রাখা, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি মজুত রাখা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রস্তুত রাখা—এসব প্রস্তুতি দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বন্যাপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের আগাম নিরাপদ আশ্রয়ের পরিকল্পনা করে রাখা অত্যন্ত জরুরি। সচেতন মহলের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও সচেতনতা ও পূর্বপ্রস্তুতির মাধ্যমে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

বর্ষার সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার আলোহীন সিতা পাহাড় ; জীর্ণ ঘরে চলে পাঠদান, সাথে বিশুদ্ধ পানির তীব্র হাহাকার

বর্ষাকালে জনসচেতনতা জরুরি, অসতর্কতায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​পাহাড়ের বুক চিরে প্রতিদিন সূর্য ওঠে, আবার পাহাড়ের আড়ালেই তা হারিয়ে যায়। কিন্তু রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের অতি দুর্গম নারানগিরি সিতা পাহাড় এলাকার চিত্রটি ভিন্ন। এখানে শতাধিক মারমা পরিবারের শিশুদের ভাগ্যে শিক্ষার আলো পৌঁছানোর আগেই যেন সন্ধ্যার আঁধার নেমে আসছে। কাপ্তাই উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরত্ব হলেও, আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া থেকে আজও অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এই জনপদ। নেই কোনো গাড়ি যাতায়াত ব্যবস্থা, নেই সুপেয় পানির নূন্যতম নিশ্চয়তা।

উঁচু-নিচু পাহাড় আর বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে এই এলাকা থেকে উপজেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো ‘পায়ে হাঁটা’। যাতায়াতের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোমলমতি শিশুদের পক্ষে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ হেঁটে শিক্ষা গ্রহণ করা কার্যত অসম্ভব। এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী এবং চরম অসচ্ছল। পেটের দায়ে যুদ্ধ করা এসব মানুষের কাছে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো এখন বিলাসিতা মাত্র।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে ‘সংগ্রাম’ নামক একটি এনজিও সংস্থা এই দুর্গম এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে স্কুলটি ছিল এই শিশুদের একমাত্র ভরসা। জেলা পরিষদের মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হতো। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ৫ বছর আগে স্কুলটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে জীর্ণ ও পরিত্যক্ত বেড়ার ঘরটি অচল ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। শিক্ষকরাও স্কুল বন্ধ হওয়ার পর আর এলাকায় ফেরেননি। বিদ্যালয়টি বন্ধ হওয়ায় যখন শিশুদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, তখন আশার প্রদীপ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় যুব সমাজ। জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সেই ভাঙা স্কুল ঘরটিতেই এলাকার শিক্ষিত তরুণ অংসাচিং মারমা ও তরুণী সাইনুচিং মারমা নিজেদের উদ্যোগে শিশুদের পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো বেতন বা প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই কেবল শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই অসাধ্য সাধন করছেন তারা।

তাদের স্পষ্ট কথা— “প্রাথমিক শিক্ষা ছাড়া আমাদের জনপদের উন্নতির কোনো বিকল্প নেই। তাই কষ্ট হলেও আমরা হাল ছাড়িনি।” শিক্ষার অভাবের পাশাপাশি এই এলাকায় বড় সংকট সুপেয় পানি। শুষ্ক মৌসুমে প্রাকৃতিক ছড়া শুকিয়ে গেলে এলাকায় পানির হাহাকার পড়ে যায়। আবার বর্ষাকালে পাহাড় থেকে নেমে আসা ময়লা ও ঘোলা পানি বাধ্য হয়ে পান করতে হয়। এতে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে প্রায়ই আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা।

সিতা পাহাড় এলাকার কার্বারি পাইচিংমং মারমা, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ক্যথোয়াই অং মারমা এবং স্থানীয় ব্যক্তিত্ব সের খান আক্ষেপের সুরে বলেন, “আমাদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার অভাবে দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। ১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া আমাদের স্বপ্নটা আজ ধ্বংসস্তূপ। আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই, আমাদের এই দুর্গম এলাকায় একটি স্থায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং পানীয় জলের সুব্যবস্থা করে এই অবহেলিত মানুষের ভবিষ্যৎ রক্ষা করুন।”

এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন, “আমি অনেকবার ওই এলাকা পরিদর্শনের চেষ্টা করেছি। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে দুর্গম পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি। আমি শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

​অন্যদিকে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। ডলুছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সিতা পাহাড় এলাকাটি প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে এবং যাতায়াত অত্যন্ত দুর্গম। আমি ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা অধিদপ্তরে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়ে রেখেছি।” ​পাহাড়ের এই দুর্গম জনপদ কি তবে অন্ধকারেই থেকে যাবে? নাকি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে সিতা পাহাড়ের শিশুদের কলকাকলিতে মুখরিত হবে কোনো নতুন বিদ্যালয়? এক বুক প্রত্যাশা নিয়ে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে এলাকাবাসী।

দিঘীনালায় বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

বর্ষাকালে জনসচেতনতা জরুরি, অসতর্কতায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ি দিঘীনালায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শত্রুবার ১ মে ভোর সকালে দিঘীনালা পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের আয়োজনে তপোবন বৌদ্ধ বিহার থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে এসে দিঘীনালা সরকারি ডিগ্রী কলেজ গেইটে এসে সমাপ্ত হয়।

এসময় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার সহকারি ভুমি কমিশনার মো: সাইফুল ইসলাম, দিঘীনালা ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা ও ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় বৌদ্ধ ভিক্ষু, দায়ক-দায়িকা সহ বিভিন্ন বয়সির নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর অংশ নেয়। আজকের এই দিনে ভগবান বুদ্ধ পৃথিবীতে জন্ম নেন, বুদ্ধত্ব লাভ করেন এবং আবার একই দিনটিতে মহাপরিনির্বান লাভ করেন। তাই ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত আজকের দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ দিন। এই দিনটি উপলক্ষে তারা ভগবান বৌদ্ধের উদ্দেশ্যে ভক্তরা মন্দিরে বিহারে বুদ্ধপূর্ণিমায় উপাসক-উপাসিকা ও পূণ্যার্থীরা বুদ্ধপূজা, পিন্ডদান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, সংঘদান, অষ্টপরিস্কারদান, বুদ্ধ মূর্তিদান করে। এবং বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বের শান্তি ও মঙ্গল কামনা করা হয়। গৌতম বুদ্ধে অহিংসা বানী প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি ফিরবে এমন আশা আয়োজকদের।

সাদুল্লাপুরে জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে নিকাহ রেজিস্টার কারাগারে

বর্ষাকালে জনসচেতনতা জরুরি, অসতর্কতায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি জিআর মামলায় নিকাহ রেজিস্টার কাজী মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ মিয়াকে (৬০) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত, সাদুল্লাপুর) পাপড়ি বড়ুয়া এ আদেশ দেন। আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করা হয়। কারাগারে যাওয়া আসামি মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ সাদুল্লাপুর উপজেলার ৩নং দামোদরপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী। পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কাজীর দায়িত্বও পালন করছিলেন। পশ্চিম দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দামোদরপুর ইউনিয়নের সভাপতি এবং উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি পশ্চিম দামোদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর থানায় দায়ের হওয়া জিআর মামলায় তাকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার ও কোর্ট জিআরও মামলার আরজির বরাত দিয়ে জানান, সম্প্রতি নলডাঙ্গা এলাকায় এক তরুণকে আটক রেখে জোরপূর্বক একটি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। মেয়ের পরিবার ওই তরুণকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয় এবং উক্ত বিয়ে রেজিস্ট্রির কাজ সম্পন্ন করেন কাজী আব্দুল হামিদ। এ ঘটনার পর ছেলের পরিবার সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মেয়ের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কাজীকেও আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষানবীশ আইনজীবী রওশন আলম জানান, অভিযুক্ত কাজী আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে তিনি আরও বলেন, জোরপূর্বক বিয়ের ঘটনায় মূল দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষের হলেও, বিয়ে রেজিস্ট্রি করার কারণে কাজীকেও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

×