| ৬ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাজেকে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাজেকে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে উজো বাজারে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শত্রুবার (৫ জুন) সকালে সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট উজো বাজার এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

“প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করি, পরিবেশ রক্ষা করি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত র‍্যালিটি সাজেকের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একটি সমাবেশে বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণ, বনভূমি রক্ষা এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাজেককে রক্ষা করতে হলে পরিবেশবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটকদেরও সচেতনভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে এবং প্লাস্টিকজাত দ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেন তারা।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সুমিতা চাকমা, সাজেক পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি নতুন জয় চাকমা, সাজেক গন অধিকার রক্ষা কমিটির বাবু ধন চাকমাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির শপথ গ্রহণ করেন।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাজেকে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প এবং ইউনিসেফের (UNICEF) সহায়তায় পরিচালিত পাড়াকেন্দ্রগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে। পাড়াকর্মীদের বেতন-ভাতা কমে যাওয়া, কেন্দ্রগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাড়াকর্মীরা।

পাড়াকর্মীরা জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্প কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দীর্ঘদিন নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে গেছেন। তবে বর্তমানে অনেক পাড়াকেন্দ্র অগোছালো ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রগুলোতে পাঠদান সম্ভব না হওয়ায় নিজ নিজ বাড়িতে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে। একজন পাড়াকর্মী বলেন, পাড়াকেন্দ্রগুলো মেরামত কিংবা পুনর্নির্মাণ করা হলে শিশুদের জন্য সুষ্ঠুভাবে পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

পাড়াকর্মীদের অভিযোগ, আগে মাসিক ৯ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পেলেও বর্তমানে তা কমে ৫ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। ফলে পরিবার পরিচালনা করতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে স্বল্প বেতনে দায়িত্ব পালন করেও অনেকেই আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতন-ভাতার সংকট ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেশ কয়েকটি পাড়াকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে দুর্গম এলাকার শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও পাড়াকর্মীরা দ্রুত পাড়াকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করে কার্যক্রম সচল রাখার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প ম্যানেজার (UPM) থুইসাচিং মারমা বলেন, বেতন কমে যাওয়ার কারণে অনেক পাড়াকর্মী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগে ১০৯ জন পাড়াকর্মী কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ জন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রকল্প অফিসের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে। বৃষ্টির সময় অফিসে পানি জমে যায়। এছাড়া একটি ফটোকপি মেশিন ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প ম্যানেজার জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার দুর্গম এলাকায় পরিচালিত পাড়াকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা প্রদান করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬ থেকে ২৪ মাস বয়সী ৫৩৫ জন শিশুকে নিয়মিত পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়নে পাড়াকর্মী ও মাঠ সংগঠকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

স্থানীয়দের দাবি, পাড়াকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, পাড়াকর্মীদের বেতন-ভাতা পুনর্বিবেচনা এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হোক, যাতে দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ ব্যাহত না হয়।

গাইবান্ধায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টা, শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাজেকে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষাকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে রবিউল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ার জামিয়া কওমি দারুল উলুম মাদ্রাসার অফিস কক্ষে বলাৎকারের চেষ্টার এ ঘটনা ঘটে। ‎

স্থানীয়রা জানান, রবিউল ইসলাম প্রায় এক মাস আগে মাদ্রাসাটিতে চাকরিতে যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। ‎মাদ্রাসাটি সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের রেলওয়ে বানমারি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রতন মিয়া জানান, ঘটনাটি শোনার পরে আমি ঘটনা স্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে পুলিশে দেয়ার ব্যবস্থা করি৷ ‎সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটকে রেখেছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথাগত নেতৃত্ব: নামমাত্র সম্মানীর আড়ালে আইনি ও সামাজিক সংকট

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাজেকে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

​লেখক : ছন্দসেন চাকমা

​সম্প্রতি সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্কেল চিফ, হেডম্যান (মৌজা প্রধান) এবং কারবারিদের (গ্রাম প্রধান) মাসিক সম্মানী ভাতা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কারবারিদের ১,০০০ টাকা এবং হেডম্যানদের ২,০০০ টাকা করা হয়েছে।

একজন পেশাদার ফটোসাংবাদিক ও উন্নয়নকর্মী হিসেবে দীর্ঘকাল পার্বত্য অঞ্চলের তৃণমূল পর্যায়, ভিসিএফ (ভিলেজ কমন ফরেস্ট) এবং হেডম্যান-কারবারি নেটওয়ার্ক অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সরাসরি কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছে। সেই বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকেই বলতে হয়—আপাতদৃষ্টিতে এই উদ্যোগকে ইতিবাচক মনে হলেও, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং পাহাড়ের জটিল ভূ-রাজনীতির নিরিখে এর কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। এই বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা নয়, বরং পাহাড়ের প্রথাগত কাঠামোর ভেতরের সংকটকে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা।

 

বর্তমান বাজারে ১ কেজি দেশি মুরগির দাম যেখানে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং মাছের কেজি ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা, সেখানে ২,০০০ বা ১,০০০ টাকা দিয়ে একটি পরিবারের বড়জোর ১ থেকে ৩ দিনের খাবার জুটতে পারে। ফলে এই সামান্য সম্মানী দিয়ে প্রথাগত নেতাদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষা তো দূরের কথা, সাধারণ জীবন ধারণ করাই অসম্ভব। উপরন্তু, ১৯০০ সালের রেগুলেশন বা পার্বত্য আইন অনুযায়ী কর আদায়ের যে কাঠামো রয়েছে, তাতে ভাতা বৃদ্ধির ফলে সাধারণ জুমচাষীদের ওপর করের বোঝাও হয়তো এবার আরও বাড়বে—এমন একটি অর্থনৈতিক আশঙ্কাও প্রান্তিক মানুষের মনে তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।​

পাহাড়ের ভূমি ও বিচারিক ব্যবস্থার দিকে তাকালে এক বহুরূপী সংকটের চিত্র চোখে পড়ে। একদিকে ভারত থেকে ফিরে আসা শরণার্থীরা আজও তাদের নিজস্ব ভূমি ফেরত পায়নি, অন্যদিকে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর নানামুখী প্রভাবের কারণে প্রথাবদ্ধ বিচার ব্যবস্থা এবং ভূমির অধিকার আজ এক জটিল সমীকরণে দাঁড়িয়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে হেডম্যান-কারবারিদের প্রথাগত বিচারিক ক্ষমতা কতটা স্বাধীনভাবে কার্যকর করা সম্ভব, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর সংশয় রয়েছে।

​সবচেয়ে বড় সংকটটি দৃশ্যমান হয় যখন পাহাড়ের প্রশাসনিক দ্বৈততা সামনে আসে। একদিকে সারা বাংলাদেশে প্রচলিত ‘ইউনিয়ন পরিষদ আইন’, অন্যদিকে ১৯০০ সালের রেগুলেশন বা পাহাড়ের প্রথাগত রীতি—এই দুইয়ের আইনি সীমানা ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব পাহাড়ের শাসনব্যবস্থাকে প্রতিনিয়ত জটিল করে তুলছে। রাষ্ট্র যেখানে বাহিনী বনাম শান্তিচুক্তির স্থবিরতা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যকার মতপার্থক্য নিরসনে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে প্রথাগত নেতাদের নেটওয়ার্ক বা অ্যাসোসিয়েশনকে কেবল সামান্য ভাতা বৃদ্ধি কিংবা দায়সারা ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা কতটা বাস্তবসম্মত ‍ও যুক্তিযুক্ত ?

 

​সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ওঠে এই প্রজ্ঞাপনের সময়জ্ঞান নিয়ে। পার্বত্য অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের ঠিক পরপরই এমন একটি গেজেট প্রকাশ করা হলো। এই টাইমিং কি কেবলই কাকতালীয়, নাকি মূল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট থেকে নজর ঘুরানোর চেষ্টা ? বর্তমান উত্তাল পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা’র অপচেষ্টা হিসেবেই দেখছেন।
​পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও প্রথাগত নেতৃত্বের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারকে কেবল আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে চলবে না। রাজা (সার্কেল চিফ), হেডম্যান ও কারবারিদের প্রথাগত রীতি-নীতি, বনভূমি (ভিসিএফ) এবং ভূমির অধিকার রক্ষা করতে হলে প্রচলিত ইউনিয়ন পরিষদ আইনের সাথে এর একটি সুনির্দিষ্ট সমন্বয় প্রয়োজন। এই আইনি সংঘর্ষ এড়াতে একটি সমন্বিত খসড়া বিল প্রস্তুত করে তা সংসদে পাস করা আজ সময়ের দাবি।

অন্যথায়, এই নামমাত্র ভাতা বৃদ্ধি পাহাড়ের মূল প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক সংকটকে আড়াল করার একটি সাময়িক চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

​লেখক: ফটো সাংবাদিক ও পার্বত্য অঞ্চল বিষয়ক তথ্যচিত্র নির্মাতা।

×