| ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ; মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ; মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাজস্থলী উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার
কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার। সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা জোরদার, মাদক ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় বিশেষভাবে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয়, একটি সমাজ ও প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সেলিনা আক্তার বলেন, “জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সকল রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও কমিউনিটি ভিত্তিক উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।

সভায় বিগত মাসের অপরাধচিত্র পর্যালোচনা করা হয় এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি আগামী মাসে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে করণীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাষ্টার খলিলুর রহমান শেখ, সাংবাদিক আজগর আলী খান, জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মৌলানা ফরিদ আহম্মদ, রাজস্থলী থানার অফিসার ইনচার্জের প্রতিনিধি মো. আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজন।

সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এ ধরনের নিয়মিত সভা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক প্রমোদনা বিতরণ

রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ; মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে হলুদ প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় ২৫ জন কৃষকের মাঝে বীজ হলুদ ১০০ কেজি, ডিএপি সার ৫ কেজি, এমওপি সার ৫ কেজি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাজার ঘাট এলাকা হতে এইসব প্রণোদন বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেশ প্রসাদ রায়, কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমনগুপ্ত, উপসহকারী কৃষি অফিসার অনুময় চাকমা ও রুবেল বড়ুয়া, কৃষক শুভলাল চাকমা এবং বাপ্পী চাকমা প্রমূখ।

দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যার মানোন্নয়নের দাবি

রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ; মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

ফারুয়া বাসীর আস্থার প্রতীক :খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্দস্য পদে মানোন্নয়ন দাবি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ;

বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন হতে এবারে প্রথম জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন দাবি জানিয়েছেন গোয়াইনছড়ির কৃতি সন্তান খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক লিখিত বার্তায় তিনি এই দাবি জানান। তথ্য মতে জানা গেছে, তিনি একমাত্র ফারুয়া ইউনিয়নে বিএনপি পরিবারের সন্তান। এবং  তিনিই একমাত্র সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রয়াত: কালেয়া তঞ্চঙ্গ্যা’র ছেলে এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির উপদেষ্টা প্রয়াত: তেজেন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যা একমাত্র ভাইপো। ফারুয়া ইউনিয়নে একমাত্র বিএনপি পরিবারের সন্তান। ১৯৮১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান খাল কাটা শুরু করেছিলো এক মাত্র তার পিতা কলেয়া ও তার জেঠা তেজেন্দ্র লাল চেয়ারম্যানকে নিয়ে। বংশ পরস্পরায় একমাত্র তিনিই জিনিয়াস বিএনপি।

তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সে বর্তমানে ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তার রাজনৈতিক জীবনে ২০০৬ -২০১০ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য, ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ২০১৫-২০১৭ সাল পর্যন্ত ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য।

তিনি আরও জানান, এযাবৎ ফারুয়া ইউনিয়ন হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে কাউকে মানোন্নয়ন দেওয়া হয়নি। অথচ এই এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম ও পশ্চাৎপদ। সদরে সঙ্গে এখনো যোগাযোগের সু-ব্যবস্থা নেই,নেই কোন চিকিৎসার জন্য উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ডেলিভারী রোগী যেতে যেতে পথে মারা যায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক তো নেই,নেই বিদ্যুৎতের সুব্যবস্থাও। এযাবৎ কেউ ফিরে দেখেনা এই বিষয়ে। কত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান – সদস্য এলো- গেলো খবর নিলোনা কেউ।

তিনি আবেকগণ কন্ঠে আরো বলেন, গত ১২ই ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটিতে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এবং একি ভাবে দশ হাজারের বেশি ভোটে পেয়েছে বিএনপি । এজন্য সারা দেশে সবার চেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রাঙ্গামাটি আসনে। তাই মাননীয় সাবেক  প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহোদয় এ্যাড.দীপেন আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন।

শুনেছি শ্রীঘ্রই জেলা পরিষদ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই বিপুল ভোট এবং দলকে টিকিয়ে রাখা অন্যান্য সক্রিয় কর্মীর চেয়ে আমার ভুমিকাও কম ছিলো না। তাছাড়া ফারুয়া আপামর জনগণও আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই এবং একইভাবে দেখতে চাই আমাদের নেতাকর্মীও। তাছাড়া তঞ্চঙ্গ্যা সদস্য পদটি জনসংখ্যায় তঞ্চঙ্গ্যা বেশি হিসেবে ফারুয়া এলাকা হতে দাবি রাখে। গত বারে অন্তর্বতীকালীন সরকার রাঙাবী কে নিয়োগ দিলেও পরে মামলার কারণে স্থগিত হয়ে গেছে, সেটাও বিতর্কিত। এজন্য তঞ্চঙ্গ্যারা বার বার অবহেলা বঞ্চনার শিকার। আশা করি মহোদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল করবেন না। এজন্য বিলাইছড়ি উপজেলা হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদটি পেতে হলে আমার বেশি দাবি রাখে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ; মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

ছবি- প্রতিকী

অন্য মন্ত্রণালয়ের পদায়নের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন’কে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পদায়নের প্রতিবাদে এবং তাঁকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়নের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছেন ৩৫ বিশিষ্ট নাগরিক। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে বরখেলাপ করে একজন অ-পাহাড়ী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসী নন এমন একজনকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পদায়নে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে অবিলম্বে তাঁকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়নের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতির শুরুতে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, ”গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজী, বৃহষ্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), যার জন্য আমরা অভিবাদন জানাচ্ছি। এছাড়া নবগঠিত সরকারের মন্ত্রীসভায় রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে গঠিত ও পরিচালিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে পদায়ন করায় আমরা সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা আশা করি তাঁর নেতৃত্বে আগামীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিবদমান সমস্যা ও সংকট নিরসন এবং পাহাড়ের অধিবাসীদের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহনে সক্ষম হবে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে, ”পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (ঘ) খন্ডের ১৯ ধারায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত “উপজাতীয়দের মধ্য হইতে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হইবে” কে অনুসরণ করে রাঙ্গামাটির সাংসদ দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করলেও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) থেকে নির্বাচিত সাংসদ মীর হেলালকে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করে উক্ত ধারাকে ভঙ্গ করেছে নবনির্বাচিত সরকার। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মধ্য দিয়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারের সামগ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সাথে পাহাড়ের অধিবাসীদের কার্যকরী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে নির্বাহী সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ায় সরকারের কর্মকান্ডের মধ্যে পাহাড়ের আদিবাসীদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাও এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব। কাজেই এটা খুবই স্বাভাবিক যে, মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত নির্বাহী দায়িত্বে যতজনই থাকুক না কেন সকলেই পাহাড়ী বা পাহাড়ের অধিবাসী পাহাড়ী নাগরিক হবেন। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরের এবং অ-পাহাড়ী একজনকে প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চুক্তিকে চরমভাবে বরখেলাপ করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ”অন্যদিকে আমরা এযাবৎকালে আরো লক্ষ করেছি যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে পাহাড়ের পাহাড়ী নাগরিকদের অংশগ্রহন অত্যন্ত নগন্য। এক্ষেত্রে পার্বত্য চুক্তির মূল প্রস্তাবনা- “পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চল” হবে তার প্রতিফলনও আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে খুঁজে পাইনি। অন্যদিকে বর্তমানে সরকারের নেত্বেত্বে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ঘোষিত ৩১ দফা’র ২ নং দফা’র “সম্প্রীতিমূলক সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা (রেইনবো নেইশন)” প্রতিষ্ঠার ধারণা’র সাথেও সাংঘর্ষিক।”

বিবৃতিতে সর্বশেষ, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানে কাছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন’কে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়ন এবং উক্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকতা ও কর্মচারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে পাহাড়ী আদিবাসী নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

এই বিবৃতিতে, বিবৃতি দাতাদের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার ।

 

বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেছেন:

১. প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা (অব: উপ সচিব), সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ‘ক’ অঞ্চল।
২. বিজয় কেতন চাকমা, সভাপতি, এমএন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন।
৩. ডা: মং উষা থোয়াই মার্মা (সাবেক সিভিল সার্জন), সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বান্দরবান জেলা শাখা।
৪. শিশির চাকমা, বিশিষ্ট লেখক ও সভাপতি, জুম ঈসথেটিক কাউন্সিল।
৫. মংক্যশৈনু (নেভী), অব: কর্মকর্তা, সভাপতি, সিএইচটি রাইটার্স ইউনিয়ন, বান্দরবান।
৬. মধুমঙ্গল চাকমা, অব: অধ্যাপক, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ।
৭. সন্তোষিত চাকমা বকুল, সাধারণ সম্পাদক, জুম্ম শরণার্থী কল্যাণ সমিতি।
৮. নমিতা চাকমা, উন্নয়ন কর্মী।
৯. ইন্টুমনি চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল।
১০. নব কুমার চাকমা, সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
১১. জিংমুলিয়ান বম, বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী, বান্দরবান।
১২. জিরকুং সাহু, বিশিষ্ট লেখক ও সমাজকর্মী, বান্দরবান।
১৩. ক্যসামং মারমা, বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতি কর্মী, বান্দরবান।
১৪. মোহনী রঞ্জন চাকমা, অব: প্রকৌশলী, সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।
১৫. সুরেন্দ্র লাল চাকমা, অব: প্রকৌশলী, এলজিইডি, রাঙ্গামাটি।
১৬. জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, অব: খাদ্য কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি।
১৭. জহর বিকাশ চাকমা, অব: প্রকৌশলী, রাঙ্গামাটি।
১৮. প্রসন্ন কুমার চাকমা, অব: প্রধান শিক্ষক ও বিশিষ্ট লেখক (চাকমা ভাষা), রাঙ্গামাটি।
১৯. শুক্র কুমার চাকমা, সভাপতি, আদিবাসী পাহাড়ী বৈদ্য শাস্ত্রীয় বহুমুখী কল্যাণ সমিতি, রাঙ্গামাটি।
২০. ইন্দুলাল চাকমা, অব: মৎস্য কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি।
২১. সাথোয়াই মারমা, সাংবাদিক, খাগড়াছড়ি।
২২. পলাশ কুসুম চাকমা, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, সহ সভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি।
২৩. যতীন বিহারী চাকমা, বিশিষ্ট ঠিকাদার, রাঙ্গামাটি।
২৪. সাগর রানী চাকমা, অব: শিক্ষক, খাগড়াছড়ি।
২৫. বিজয় গিরি চাকমা, সভাপতি, ত্রিদিব নগর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, রাঙ্গামাটি।
২৬. থুয়াসা খিয়াং, সংস্কৃতি কর্মী, রাঙ্গামাটি।
২৭. মালেকা চাকমা, কারবারী বিহারপুর, রাঙ্গামাটি
২৮. চন্দ্রশেখর তালুকদার, হেডম্যান, গোরস্থান মৌজা, বরকল।
২৯. লোমা লুসাই, সহসভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি।
৩০. স্মৃতি শংকর চাকমা, বিশিষ্ট সমাজকর্মী।
৩১. শান্তিমায়া ত্রিপুরা, বিশিষ্ট নারী নেত্রী।
৩২. জুনান তঞ্চঙ্গ্যা, চিত্রশিল্পী।
৩৩. থুইচা প্রু মারমা, কাউখালী।
৩৪. শ্যামা চাকমা, সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান।
৩৫. ত্রিপন জয় ত্রিপুরা, সাংবাদিক, খাগড়াছড়ি।

×