শিরোনাম:

চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরিক স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল

চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরিক স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

 

পাহাড়ের চারন সাংবাদিক মরহুম আলহাজ্ব একেএম মকছুদ আহমেদকে রাষ্ট্রিয় সম্মাননা ২১ পদকে ভূষিত করার জোর দাবী

 

অরুপ কুমার মুৎসুদ্দী :

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংবাদিকতার পথিকৃৎ রাঙ্গামাটির চারণ সাংবাদিক মরহুম একেএম মকছুদ আহমেদকে মরনোত্তর রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা বা ২১শে পদকে ভূষিত করার জোড় দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। একই সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ব প্রথম প্রকাশিত ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা দৈনিক গিরিদর্পণ-কে বাঁচিয়ে রাখতে পার্বত্য চট্টগ্রাম’র সকল প্রশসনিক জনপ্রতিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠানসহ পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৪ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ’র এনেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত মরহুম আলহাজ্ব একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত নাগরিক স্মরন সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিলে বক্তারা এই দাবী করেন।

বক্তারা বলেন, একেএম মকছুদ আহমেদ শুধু পাহাড়ের একজন সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের কণ্ঠস্বর এবং এই পার্বত্য অঞ্চলের সাংবাদিকতার অগ্রদূত। তিনি ছিলেন একজন নির্ভিক মানবাধিকার কর্মী।

দৈনিক গিরিদর্পণের সদ্য দায়িত্বে নিয়োজিত ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নন্দন দেবনাথের সভাপতিত্বে তরুন লেখক এবং গবেষক সাংবাদিক ইয়াছিন রানা সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, একেএম মকছুদ আহমেদ ছিলেন দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর। তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ, অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ। তাঁর হাত ধরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার বিকাশ ঘটেছে।

তিনি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সাপ্তাহিক বনভূমি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা-সম্ভাবনার কথা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বক্তারা বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত দৈনিক গিরিদর্পণকে বাঁচিয়ে রাখা এখন সময়ের দাবি। গিরিদর্পণকে টিকিয়ে রাখতে যে তরুণ সাংবাদিকরা এগিয়ে এসেছেন, তাদের সহযোগিতা করা পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষের দায়িত্ব। পাশাপাশি সাংবাদিকতায় তাঁর দীর্ঘ ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই গুণী সাংবাদিককে মরনোত্তর রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা বা ২১শে পদকে ভূষিত করার দাবি জানান তারা।

স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, রাঙ্গামাটি সদর সেনা জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল একরামুল রাহাত পিএসসি, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন, সাবেক সচিব কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মনসুরুল হক, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক সুনীল কান্তি দে, বর্তমান সভাপতি আনোয়ার আল হক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-এর কাউন্সিলর আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রনতোষ মল্লিক, দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পাদক ফজলে এলাহী, স্কাউটস কমিশনার নুরুল আবছার, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম জিশান বখতেয়ার এবং ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিক্ষক অরুপ কুমার মুৎসদ্দী।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ হাবীব আজম ও মিনহাজ মুরশীদ, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আবদুল গফুর, রাঙ্গামাটি রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দিন, জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা শফিউল আলম আল ক্বাদেরী, দৈনিক রাঙ্গামাটির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহাঙ্গীর কামাল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মমতাজ সওদাগর, এফপিএবির সভাপতি শাহেদা আকতার, রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা, আসবাবপত্র মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুশ শুক্কুর, অটোরিকশা চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সমন্বয়ক নির্মল বড়ুয়া মিলন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল কান্তি দে, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি শান্তিময় চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জান্নাত মুমু, হযরত আবদুল্লাহ ফকির (রহ.) ওরশ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক জামাল হোসেন, লেকার্স স্কুলের শিক্ষক শাহজালাল সুমন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আইনুল ইসলাম ও অর্থ সম্পাদক আদিত্য চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে একেএম মকছুদ আহমেদের জীবনের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। তাঁর সহধর্মিনী ও দৈনিক গিরিদর্পণ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মঞ্জু রানী গুর্খার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দৈনিক গিরিদর্পণ পরিবারের সদস্য সাংবাদিক দীপ্তি মজুমদার। এছাড়া সাংবাদিক ইয়াছিন রানা সোহেল তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা এম এ মুস্তফা হেজাজী।

এছাড়াও দৈনিক গিরিদর্পণ পরিবারের সদস্য পুলক চক্রবর্ত্তী, মনসুর আহমেদ মান্না, মিল্টন বাহাদুর, লিটন শীল, শিশির দাশ বাবলা, দীপ্তি মজুমদার, মনু মার্মা, পংকজ বাহাদুর, দীলিপ দাশসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সাদুল্ল্যাপুর কার্ভার ভ্যানের ধাক্কায় ২ অটোরিকশা যাত্রী নিহত

চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরিক স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

ইবান্ধার সাদুল্লাপুরে কাভার্টভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন যাত্রী। তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারনা করছেন চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের মন্দুয়ার নামক স্থানে ‘শাহানা ফিলিং স্টেশন’ সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন,​ অটোরিকশা চালক আল আমিন মিয়া (৩০)। তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফ বাজিত গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। অপরজন অটোরিকশার যাত্রী গৌতম চন্দ্র (৬০) গাইবান্ধা শহরের পূর্বপাড়া এলাকার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে। ​দুর্ঘটনায় আহত চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে একটি পণ্যবাহী কার্ভারভ্যান গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুইজন প্রাণ হারান। ​

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ​”দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও আইনি প্রক্রিয়া অনুমোদনের কাজ চলছে।” ​বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

রাঙামাটিতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে অ্যাডভোকেসি সভা

চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরিক স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

রাঙামাটিতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে ধর্মীয় গুরু ও নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুষ্ঠরোগ নির্মূলীকরণ বিষয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গল (২৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে রাঙামাটি শহরের স্থানীয় একটি হোটেল এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুৎফুন্নেছা বেগম। সভায় রাঙামাটির বিভিন্ন মসজিদ, প্যাগোডা, মন্দির, গীর্জা ও চার্চের পুরোহিতরা অংশ নেন।

অ্যাডভোকেসি সভায় পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে কুষ্ঠরোগের বিস্তার, চিকিৎসা, লেপ্রসি মিশনের কর্মসুচি সম্পর্কে তুলে ধরেন লেপ্রসি মিশনের চীফ প্রজেক্ট ম্যানেজার পরশ চাকমা ও মেডিকেল অফিসার ডা. জীবক চাকমা।

উন্নয়ন সংস্থা আলোর ফ্যাসিলিটেটর শাক্য সিংহ চাকমার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের বর্ষীয়ান ভিক্ষু শুভদর্শী মহাথেরো, শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরের পুরোহিত রনবীর চক্রবর্তী, চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পাস্তর স্টিফেন মিত্র প্রমুখ।

লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাথে সমন্বয় রেখে লেপ্রসি মিশন বিনামূল্যে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা রেখেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠরোগ নির্মুলের লক্ষ্যে লেপ্রসি মিশন কাজ করছে। ধর্মীয় গুরুদের মাধ্যমে কুষ্ঠরোগ বিষয়ে প্রচারণা ও সচেতনতা সৃষ্টি করা হলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাস করা রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে পারবে। কুষ্ঠরোগ নিয়ে সমাজে অনেক কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।

সভায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদেরকে অবস্থান থেকে কুষ্ঠরোগ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে। দুর্গম এলাকার রোগীরা যাতে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সে বিষয়ে সকলকে সহযোগিতা দিতে হবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও ভুমিকা রাখতে হবে। কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত মানুষ যাতে হতাশায় না ভোগে দুশ্চিন্তায় না থাকে সেদিকটা গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। কুষ্ঠরোগ বংশগত রোগ নয়। অভিশাপের কারণেও এ রোগ হয় না। এ বিষয়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তারা বলেন কুষ্ঠরোগ নিয়ে যেহেতু সমাজে ভুল ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে তাই সে বিষয়েও লোকজনকে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রেও যথাযথভাবে যত্ন নেয়া হয়।

বিলাইছড়িতে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে না দেওয়ার দাবিতে  বিএনপির সংবাদ সন্মেলন

চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরিক স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়িতে আগামী জেলা পরিষদ সদস্য পদে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে না দিয়ে অন্যএকজন যোগ্য ব্যক্তিকে মানোন্নয়ন দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সন্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এই সংবাদ সন্মেলন করেন।

এসময় জেলা পরিষদ সদস্য পদে অন্য প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। ১২ জন জেলা পরিষদ সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন বিএনপির জয়সিন্ধু চাকমা, শান্তি রায় চাকমা (রায়ধন), মো. জাফর আহাম্মদ, রেজাউল করিম রনি, মো. ইমাম হাসান সিকদার, শামশু তঞ্চঙ্গ্যা, খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা, চাথোয়াই রোয়াজা (প্রাত্তন ইউপি চেয়ারম্যান), ভিএল পাংখোয়া, রিনলম পালম বম, নেইলাই পাংখোয়া এবং ধনমুনি চাকমা।  তাদের দাবি তারা দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির সক্রিয় কর্মী এবং সবসময় সুখে-দুংখে দলকে রক্ষা করতে এবং জনগণের পাশে রয়েছেন। এজন্য জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ পেলে আমাদের বারজন হতে দিতে হবে বা পেতে হবে।

তাদের অভিযোগ এযাবৎ এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া বিএনপির সঙ্গে কোনো  সম্পৃক্ত  ছিলো না। এজন্য এ্যাংলিয়ানা সহ তার গোষ্ঠীদের থেকে কোন জনকে পুনরায় যেন আর জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে নিয়োগ না হন সেজন্য সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে সাফ জানিয়ে দেন। তারা আরো জানান, এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ১২ প্রার্থী তাদের দাতা জমা দিবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক  মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এঁর কাছে। সেখান থেকে দীপেন দেওয়ান যাকে যোগ্য মনে করেন তাকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে নিয়োগ দেবে সেক্ষেত্রে তাদের কোনো অভিযোগ থাকবে না। কিন্তু এ্যাংলিয়ানাকে না। লাল এ্যাংলিয়ানাকে দিলে জনগণ মেনে নিবে না বলে সাফ জানিয়েছেন।

×