শিরোনাম:

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

“ শিক্ষক ’’

লেখিকা : স্বপ্না আকতার

শিক্ষক মানে পিতা মাতার মতো

অনেক ভালোবাসা,

শিক্ষক মানে পড়ালেখায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া

শিক্ষক মানে পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক আনন্দ করা।

শিক্ষক মানে পিতা মাতার পরে দ্বিতীয় পিতা-মাতা

শিক্ষক মানে লেখাপড়ায় ভালো ফলাফল করানো,

শিক্ষক মানে আদর করে মায়ের মতো পড়ানো।

রাঙামাটি টেক্সাটাইল মিলস সাবেক সিবিএ সভাপতি ও জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি বিমল চাকমা আর নেই

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

শোক প্রকাশ

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি, রাঙামাটি টেক্সাইটল মিলসের সিবিএ সাবেক সভাপতি, রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি ও কাউখালী উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বিমল চাকমা (৫৬) ষ্ট্রোকজনিত অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তার ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্নীয় স্বজন রেখে গেছেন। তার এ অকাল মৃত্যুতে ঘাগড়া এলাকা সহ পুরো কাউখালী উপজেলায় শোকেরছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সুত্রে জানাগেছে, গত ১১ মে রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকায় শারীরিক অসুস্থতাবোধ করলে তাৎক্ষণিক রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়। কিন্তু আজ ১৩ মে বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪:৩০ ঘটিকায় হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।

এদিকে, কাউখালী উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি, রাঙামাটি টেক্সাইটল মিলসের সিবিএ সাবেক সভাপতি, রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি ও কাউখালী উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বিমল চাকমার অকাল মৃত্যুর সংবাদ জানা-জানি হলে পুরো স্থানীয় এলাকাবাসী, ঘাগড়া ও কাউখালী বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

তার এ অকাল মৃত্যুতে ঘাগড়া এলাকাবাসীদের মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে শূণ্যতা পুরণে সময়ের দাবী বলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান। তার আত্নার শান্তি কামনায় ও পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

অপরদিকে সদ্য ২৯৯নং আসনের মনোনীত সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান তার ফেসবুক পেইজে বিমল চাকমার অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

 

স্টাফ রিপোর্টার :

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের সময় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের পর সরকার পতনের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। কারাগারে থাকাকালীন তিনি কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন সুবিধা পেলেও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ডিমেনশিয়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাগারের হাসপাতাল থেকে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে গত বছরের ১৪ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান তিনি। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তিনি আসামি ছিলেন। সর্বশেষ পল্টন থানার একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হন সাবেক এই মন্ত্রী।

১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন তিনি। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্যদের মধ্যেও তিনি ছিলেন একজন। রাজনীতির দীর্ঘ জীবনে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার ছেলে মাহবুব রহমান রুহেল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

​কাপ্তাইয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে তথ্য অফিসের সংবাদ সম্মেলন

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও এর অগ্রগতি তুলে ধরতে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২ টায় দিকে কাপ্তাই উপজেলার কিন্নরীতে উপজেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সারাদেশের ৬৮টি তথ্য অফিসের ন্যায় স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের সামনে তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গত ১৮০ দিনের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের সাফল্য ও সুফল সম্পর্কে সাংবাদিকদের বিস্তারিত অবহিত করা হয়। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত নিচের বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়।

কৃষক কার্ড বিতরণ এবং কৃষি ঋণ মওকুফের মাধ্যমে কৃষকদের অর্থনৈতিক স্বস্তি প্রদান, নিম্নবিত্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি এবং ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ অভিযান, যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ করতে নারীর জন্য বিশেষ গাড়ি সার্ভিস চালু,​ অনুষ্ঠানের শুরুতে কাপ্তাই তথ্য অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেন সরকারের উল্লেখিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি তথ্যবহুল টিভিসি (ভিডিও চিত্র) প্রদর্শন করেন। ভিডিওতে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন চিত্র এবং উপকারভোগীদের প্রতিক্রিয়া সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) ড. এনামুল হক হাজারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা উদ্যানতত্ত্ববিদ রাকিব জোবায়ের।

​বক্তারা বলেন, “সরকারের এই স্বল্পমেয়াদী ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি খাতের সংস্কার ও নারী উন্নয়নের ফলে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার মো: দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংবাদিকরা প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং কর্মকর্তারা তার যথাযথ উত্তর দেন।

×